২৫১/৩৬৫

লেখার তারিখঃ নভেম্বর ৫, ২০১৫, ১১.৪০ পি এম

আজকে জ্যাজ ফেস্টিভাল এর প্রথম দিন ছিল। আমার আর রাশার যাওয়ার কথা ছিল। আমরা যাই নাই। মহান রাশার ফুড পয়জনিং হইসে। তাই সে শয্যাশায়ী। আর আমি ব্যস্ত ছিলাম আম্মাকে নিয়া। আম্মাকে রিলিজ দিয়া দিসে আজকে। ওরা যখন এপলো থেইকা বাসার উদ্দেশ্যে রউনা দিসে তখন বাজে সন্ধ্যা ৭ টা। তাই আমার আর একা একা জ্যাজ ফেস্টিভাল দেখতে যাইতে ইচ্ছা করলো না। কাল্কেও আসে। কাইল্কা যামুনে যদি রাশা যাইতে পারে।

আজকে অনেক দিন পর লন্ডন পার্ক এ সকালের নাস্তা খাইতে গেসিলাম। আজিব ব্যাপার হইল ওরা আমারে মনে রাখসে। ওয়াটার বয় পিচ্চি টা বড় হয়া গেসে। আমারে আইশা জিজ্ঞেস করসে মামা ভাল আসেন? আর আসেন না যে এদিকে?

এই টুকু লেখার পর মনে হইসে আর কি লিখব। সারাদিন তো লেখা শেষ। তারপর মনে হইল অনেক দিন তো উঠাই না নতুন কিছু। উকুলেলে টা নিয়া একটা নতুন গান উঠাই। একটা নতুন গান উঠানো একটা টাইম মেশিন এর মত। শুরু করলে কই যে যায়গা সময়। ঠুস ঠাস মাঝরাত হয়া যায়। এই লেখার প্রথম প্যারা আর তৃতীয় প্যারার মধ্যে তাই দূরত্ব ২ ঘন্টার। এই দুই ঘন্টা আমি একটা নতুন গান উঠাইসি। যদি লিরিক্স ঠিক ঠাক মুখস্থ হয় তাইলে হয়ত একদিন ভিডূ কইরা পোস্ট ও করব। আনন্দ লাগতাসে গান টা উঠাইতে। আই উইশ আমার গলা ভাল হইত আর যুইত মত গাইতে পারতাম।

আম্মার অবস্থা এখন বেটার। ডাক্তার বলতে বাসায় নিয়া যাইতে। রবিবার আবার আসতে হবে । হার্ট এ একটা অল্প সল্প ব্লক আসে। যেইটা নিয়া আম্মা অনেক টেনশন করে। সাইকোলজিকাল কারণে আরো বেশি অসুস্থ হয়া যায়। তাই রবিবার স্টেন্ট পরানোর জন্য ভর্তি করানো হবে ইনশাল্লাহ। আজকে ছুটি নিসিলাম অফিসে। মনে হয় রবিবার এও নিতে হবে।

২৫০/৩৬৫

লেখার তারিখঃ নভেম্বর ৫, ২০১৫

আম্মার শরীর টা অনেক খারাপ করসিল সন্ধ্যা বেলা। কয়েকদিন আগে হার্ট এ ছোট একটা ব্লক পাওয়া গেসে তাই সারাক্ষণ অনেক টেনশন এ থাকতে হয়। বাসায় শুধু ছোট খালা ছাড়া কেউ ছিল না। বাবা নামাজে গেসিল। আমি অফিস থেইকা এম্বুল্যান্স নিয়া যাইতে যাইতে যদি দেরি হইয়া যায়? তাই ওদের কে যত তাড়াতাড়ি পারে একটা ট্যাক্সি/সি এন জি কইরা আইসা পরতে বললাম এপোলো তে।

এপলো তে ইমারজেন্সি তে ভর্তি করসি আমরা তাড়াতাড়ি। ইমারজেন্সি এত অদ্ভুত একটা জায়গা। সবার মুখ থম্থমে তারমধ্যে ডাক্তার আর নার্স দের প্রফেসনাল ট্রেনিং এর কারণে শান্ত থাকা কেমন ভয় লাগ ভিতরে। আম্মার পাশের বেড এ একটা লোক আসলো সাথে তার ওয়াইফ। বিকালে হাটতে গিয়া সেন্সলেন্স হওয়া গেসে, এখন পালস পাওয়া যাইতাসে না। দাড়ায়া দাড়ায়া দেখলাম কিভাবে মেশিন দিয়া পাম্প কইরা, হাত দিয়া পাম্প কইরা ডাক্তার রা একটা মানুষের বাঁচার জন্য যুদ্ধ করতাসে। লোক্টা মারা গেল একদম চোখের সামনে আমার।

তারপর থেইকা আম্মার পাশ থেইকা একইঞ্চি নরি নাই। এখন আম্মার অবস্থা স্টেবল। উনাকে ইমারজেন্সি বিভাগ থেইকা রিলিজ দিয়া দিসে।এখন সি সি ইউ তে আছেন। ডাক্তার বলসে ভয় এর কিছু নাই আজকে অব্জার্বেশন এ রাইখা কালকে ছাইরা দিবে ইনশাল্লাহ।

২৪৯/৩৬৫

লেখার তারিখঃ নভেম্বর ৪, ২০১৫

অতি প্রাকৃত প্রকৃতি

আসগর আলি মোল্লা বাড়িতে ফিরেছেন রাত দশটায়। ঘরে ঢোকার আগে তাকে ইদ্রিসকে মাছ সহ হাতে নাতে ধরার খবর দেয়া হয়েছে। তিনি ইদ্রিস কে গাছ থেকে খুলে বাইরের বাংলা ঘরে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে অন্দর মহলে ঢুকে গেছেন। বাংলা ঘরে কেউ থাকে না। মাঝে মাঝে অতিথি এলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়। অন্যান্য সময় এই ঘর ব্যবহার করা হয় শুকনো জ্বালানি আর পাটখরি রাখার জন্যে।

দু ঘন্টা পর তাকে দেখা গেল ইদ্রিস এর সামনে বসে থাকতে। ইদ্রিস এর এক চোখ প্রায় বুজে এসেছে মোল্লা ভাই দের কারো এক জন এর বেমক্কা মার এর কারণে। আরেকটা চোখ দিয়ে সে তাকিয়ে আছে আসগর আলি মোল্লার চোখ এর দিকে।আসগর আলীও চোখ নামিয়ে নেন নি। শুন্য থেকে কোটিপতি হওয়া এই ধুর্ত বৃদ্ধ এই সব দৃষ্টির পরীক্ষা পার করেই এত দূর উঠে আসতে পেরেছেন।

অন্যদিকে আসগর আলী মোল্লা ভাবছিলেন সম্পূর্ন ভিন্ন কথা। তিনি তার পালক ছেলেদের থেকে ইদ্রিস এর মাছ ধরা সম্পর্কে যা শুনেছেন তাতে তার মনে হয়েছিল মোল্লা ভাইয়েরা বলার সময় অনেক রঙ মাখিয়েছে মূল ঘটনার সাথে। গ্রামে খুব বেশি হয় এটা। পানি নেয়ার সময় কলসি ডুবে গেছে এই গল্প মুখে মুখে ঘুরে শেষ মেষ হয়ে যায় পুকুর থেকে অনিন্দ্য সুন্দরি এক কলসি কন্যা উঠে আসে, তারা জলকলী করার সময় গল্পের বক্তা দেখে ফেলায় তারা তারি আবার পানির নিচে ফিরে যায়। কিন্তু ইদ্রিস এর সাথে একটা কোথাও না বলে শুধু চোখের দিকে তাকিয়ে তিনি সাথে সাথে বুঝতে পারেন তার ছেলেরা তাকে বাড়িয়ে বলেনি। তারা যা যা বলেছে এই লোক এর পক্ষে সব ই সম্ভব। তিনি বুঝতে পারলেন তিনি কিছুটা ভয় ও পেয়েছেন।

কিন্তু তা ইদ্রিস কে বুঝতে দেয়া যাবে না কোনভাবেই। তিনি খুবি শান্ত গলায় কিন্তু আদেশ করার সুরে ইদ্রিস এর সাথে কথোপকথোন শুরু করলেন।

– তাইলে তুই ই ইদ্রিস চোরা

>> জি না আমি ইদ্রিস। শুধু ইদ্রিস

– এহ, চুরি করসস আবার ভাব মারাও? আমার বাড়ির মধ্যে ঢুকসস কোন সাহসে?

>> আপনার পোলাপাইন ধরে আনসে। আমি ঢুক্তে চাই নাই

– তা তো আনবেই। কবে থেইকা এই লাইন এ? শুধু দিনের বেলাতেই চুরি করস? না রাতেও?

>> আমি চুরি করি না। আমি চোর না।

– চোপ হারামজাদা। মাছ সহ ধরা খাইসস। আবার বলস চোর না।

এরপর এর উত্তর টা ইদ্রিস খুবি শান্ত গলায় দিল। কিন্তু আসগর আলী মোল্লা বুঝতে পারলেন তার শিরদাড়া বেয়ে কি যেন একটা ঠান্ডা কিছু নেমে গেল। তিনি মনে মনে আয়তুল কুরসি পরে আবার নিজের অবস্থান টাকে আরেকটু শক্ত করার চেষ্টা করলেন।

– তুই কি পাগল না ভং ধরসস? কি বলস এগুলা। মস্করা করলে তোর এমন অবস্থা করব , তখন বুঝবি আমার সাথে রসিকতা করা কত বড় ভুল ছিল। আবার বল কি বলতে চাচ্ছিস?

>> আমি আপনার পুকুর থেকে মাছ চুরি করি নাই। আমি শুধু পুকুর পারে দাড়ায়ে ডাক দিসি, তারপর ওরা নিজেরাই আমার কাছে চলে আসছে।

আসগর আলী মোল্লা জানেন ইদ্রিস যা বলছে তা সত্য । তার ছেলেরা পাশেই ছিল। তারা দেখেছে। কিন্তু এও যদি সত্য বলে মেনে নিতে হয় তাহলে পুরো পৃথিবীর হিসাব নিকাশেই গোলমাল লেগে যাবে। আজগর আলী মোল্লা ঠিক করলেন ইদ্রিস কে হাত ছাড়া করা যাবেনা। ইদ্রিস নিজেও মনে হয় জানে না তার মুল্য কতটুকু।

২৪৮/৩৬৫

লেখার তারিখঃ নভেম্বর ২, ২০১৫

অতি প্রাকৃত প্রকৃতি

১.

ইদ্রিস তাকিয়ে ছিল মাটির দিকে। তার আধ ভেজা লুঙ্গি থেকে ফোটায় ফোটায় পানি পরে মিশে যাচ্ছিল মাটির সাথে। পানির একটা ছোট ধারা একে বেকে এগিয়ে যাচ্ছিল পাশের ঘাস জন্মানো জায়গা টার দিকে। ইদ্রিস এর মনে হচ্ছিল ঘাস গুলো মনে হয় অনেক তৃষ্ণার্ত। তাই পানি কে ডাকছে আর পানিও তার খয়ে যাওয়া শরীর নিয়ে ছুটে যেতে চাচ্ছে ঘাসের কাছে। কিন্তু শেষ মেষ পৌছাতে পারবে বলে মনে হচ্ছে না। কারন তার আগেই তাকে খেয়ে নিচ্ছে মাটি। অল্প ভেজা মাটি একটা বৃষ্টি বৃষ্টি গন্ধের ভ্রান্তি তৈরি করছে ইদ্রিস এর মনে। কিন্তু ইদ্রিস এখন বৃষ্টির কথা ভাবতে চাচ্ছে না। তাহলে ওর দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভেজা ছাড়া কিছু করার থাকবে না।

একটু পরেই সন্ধ্যা নামবে। বিকেল বেলার বৃষ্টি সদ্য প্রেমে পরা বা প্রেম থেকে বের হওয়া মানুষের কাছে খুব অর্থপূর্ন হলেও ইদ্রিসের জন্য এই মুহুর্তে আবেগি কিছু ভাবা একটু কঠিন ই। বিশেষ করে তাকে যখন কোমরের সাথে শক্ত দড়ি দিয়ে গাছের সাথে বেধে রাখা হয়েছে।

পরিকল্পনা টা খুব সহজ সরল ছিল। তিন দিন জরে ভোগা ইদ্রিস দুপুরে জ্বর থেকে উঠে তার ভাঙ্গা ঘরের বাইরে ছায়ায় এসে বসে। এই তিন দিন কাজ এ যেতে পারে নি তাই ঘরে চুলাও জলেনি। খিদে মুখের মধ্যে আছে শুধু সে আর তার মা। অন্ধ মা শুধু তার মাথার পাশে বসে দোয়াই করে গেছে আর কোথাও যেতে পারে নি। ইদ্রিস বুঝলো তার দ্রুত কিছু টাকা যোগার করে আজকের জন্য খাবার এর ব্যাবস্থা করতে হবে। কাল হয়তো কোন কাজ এর ব্যবস্থা করা গেলেও যেতে পারে।

বিকেলে হাটে মাছ ধরে নিয়ে বিক্রি করলে ভাল দাম পাওয়া যায়। এর আগেও মোল্লা বাড়ির দিঘি থেকে দু একবার মাছ ধরেছে সে বিপদে পড়লে , তাই পুরো ব্যাপারটির খুটিনাটি ইদ্রিস একদম চোখের সামনে দেখতে পায়। কয়েকটা মাছ ধরে বিক্রি করে দিলে আজকের মত খাবার এর ব্যবস্থা হয়ে যাবে। অভাবে স্বভাব এর দিকে তাকিয়ে বিলাসিতা করার অবস্থায় নেই ইদ্রিস আজকে।

সব ই ঠিক ছিল। মাছ ও ধরা পরেছিল গোটা তিনেক। শুধু বাধ সাধলো মোল্লা সাহেবের দুই পালক পুত্র। দুপুরে আজাহার মোল্লা আর আফসার মোল্লা, ইদ্রিস কে মাছ সহ হাতে নাতে পাকরাও করে নিয়ে আসে। আর এই “উচ্চারন অযোগ্য নারীর সন্তান” ইদ্রিস কে জিজ্ঞাসাবাদ করে তৎখনাত কিছু উত্তম মধ্যম দিয়ে পুকুর পারেই একটা জাম গাছের সাথে শক্ত করে বেধে রাখা হয়। এমন ভাবে বাধা হয় যাতে ইদ্রিস বসতে না পারে। দিঘির মালিক জনাব আসগর আলী মোল্লা বিশেষ একটি মোকদ্দমা সামলাতে শহরে গেছেন। তিনি না ফেরা পর্যন্ত মোল্লা ভাইয়েরা কোন সিন্ধ্যান্তে আসতে পারছিলো না। কি করলে ইদ্রিস এর উচিত শিক্ষা হবে, শরিয়তি বিধানে কিভাবে মারলে তাদের সোয়াব বেশি হবে তাই নিয়ে দুই ভাই অনেক তর্ক বিতর্ক হলো। শেষমেশ তারা তাদের মনস্থির করার জন্য সারা রাত ইদ্রিস কে “মাইরের ওপর” রাখার সিদ্ধান্ত নিল।

[গল্প শেষ হয় নাই, আরো আছে, এই গল্পের প্লট ঘুরতেসে মাথায় অনেক দিন থেকে। কিন্তু লেখা হয় নাই। তাই আজকে ভাব্লাম লিখে ফেলি কি আছে দুনিআয়। আগামিকাল গল্পটার আরো কিছুদুর লিখতে পারবো বলে মনে করি। ]

২৪৭/৩৬৫

লেখার তারিখঃ নভেম্বর ১, ২০১৫

আজকে একটা কাম করসি। আজকে আমি অফিসের পর জিম এ গেসিলাম। আমাদের অফিসে একটা বেশ বড় জিম আসে। অনেক যন্ত্রপাতি। লকার আসে। চেঞ্জিং রুম আসে। স্টিম বাথ আসে। শাওয়ার নেওয়ার ব্যবস্থা আসে। কিন্তু আমি জীবনেও যাই নাই। কেরম গেলে যদি মাইদ্দ্যায়? টাইপ ডর লাগতো। কিন্তু অনেক দিন আমি শরীর এর ফিটনেস এর প্রতি নজর দেই না। এক মাস নিয়মিত পাঁচ কিলোমিটার হাটার পর , পরের মাসে খুবই আইলসা হওয়া গেসিলাম। তাই মন স্থির করসিলাম আবার শুরু করুম। ভাবলাম, অফিসেই জিম আসে যখন, দেখি না গিয়া কেরম লাগে।

খুবি ডর ডর এ ঢুক্সি। আমার কল্পনায় ছিল, আমি জিম এর দরজা খুইলা ঢুকুম। ওয়েস্টার্ন সিনেমায় হিরো যখন বার এ ঢুকে তখন যে সবাই হঠাত চুপ হয়া যায় আর হের দিকে ব্ল্যাঙ্ক লুক দিয়া তাকায় থাকে, এরম কিসু একটা হইব। সবাই বিয়াম থামায়া আমার দিকে তাকাইব, কিছুক্ষন পর সবাই হাসতে হাস্তে একে অন্যের উপর গড়ায় পড়বো, এই ছিল আমার কল্পনা। কিন্তু না। সেরম কিছু হয় নাই। আমারে নিয়া কেউ হাসে নাই। গ্রেট সাক্সেস।

আমি ঢুইকা খুবি ঢাকায় নতুন আইসি মারকা লুক দিয়া মুখ হা কইরা চারদিকে দেখতাসিলাম। উউউ ডাম্বেল, উউউ সাইকেল , উউউ ট্রেডমিল করতাসিলাম। হা কইরা থাকতে থাকতে ঠুট এর কুনা দিয়া লুল গড়ায়া পড়বো এরুম সময় দেখি আমাগো দোস্ত, জিপির একমাত্র ডক্টরেট ইঞ্জিনিয়ার, ডঃ রেদোয়ান ট্রেড মিল এর উপর দৌড়াইতাসে। আমি ত ক্লাস এ পরে আইসা আগে বসার জায়গা পাইসি টাইপ আহ্লাদ নিয়া তার দিকে আগায় গেলাম। আর কিছু না বুইজ্জাই তার পাশের ট্রেড মিল ধইরা টিপা টিপি শুরু করলাম। কি টিপ মারছি আল্লায় জানে, ট্রেড মিল এর বেল্ট মশল্লা ভাঙ্গানির মেশিন এর বেল্ট এর মত সাঁই সাঁই কইরা চলা শুরু করসে।

রেদওয়ান এর আমার অবস্থা দেইখা মায়া হইল। সে আমারে শিখাইল কুন্টায় টিপ দিলে কি হয়। তারপর আমি পনের মিনিট ট্রেড মিল এ হাটাহাটি আর দৌড়া দৌড়া করসি।
প্রথম দিন তো তাই বেশি প্রেসার দেই নাই। আমার ইন্সট্রাকটর বলসে দশ মিনিট ট্রেডমিল, দশমিনিট সাইক্লিং আর দশমিনিট স্টেপার এ কাটাইতে। এক উইক চলবে এমন। মানে মেইনলি কার্ডিও এক্সারসাইজ করতে বলসে আরকি। তারপর আসতে আসতে অন্য কিছু শুরু করাবে।

এগুলা কইরা টইরা আজকে জীবনে প্রথম বার এর মত স্টিম বাথ ও নিসি। একটা রুম এর ভিত্রে গিয়া বইতে হয়। একটু পরে পুরা রুম এ খালি ধুমা আর ধুমা। মনে হয় অনেক ঘামতাসি। গরম গরম লাগে। পানি নাই তবু হারা শরীর ভিজ্যা যায়। চশ্মা ঘুমা হয়া যায়। কিন্তু বাইর হওয়ার পর বেশ ভাল্লাগে। মনে হয় শরীর এর রোমকুপ পর্যন্ত ক্লিন্সিং হয়া গেসে। একবার একা সেলুন এর ব্যাডায় আমারে ভুলায় ভুলায় ফেসিয়াল করায় দিসিল। তারপর মুখ এ এরম গরম বাতাস দিয়া ভাপ দিসিল। আইজা মনে হইসে “পুরা শইল্যে ফেসিয়াল” করাইসি। তাইলে আমি কি শিখলাম? আমি শিখলাম, স্টিম বাথ মানে শরীরে ফেসিয়াল করানো।

আমি দেখসি লোক জন জিম শব্দ টারে অনুভূতি এর মত ব্যবহার করে। আমি রাগ করি, আমি মন খারাপ করি এর মত “আমি জিম করি” বলে। আমি মাত্র একদিন গিয়া “জিম করি” বলার মত পর্যায়ে না গেলেও “জিম ক্যারি” এর মত আউলা ঝাউলা হাত পা ছুইরা আসছি। শুরু ত করি। শুধু নিজেরে নিতে হইব কষ্ট কইরা।

আই নো আই ক্যান। দ্যাটস দা ইজি পার্ট। হার্ড পারট হইল, আই ক্যান ডু ইট কে আই ডিড ইট এ কনভার্ট করা

২৪৬/৩৬৫

লেখার তারিখঃ অক্টোবর ৩১, ২০১৫

ছোটদের স্প্যানিশ শিক্ষা ২

আমি ঠিক করসি সপ্তাহে দুই দিন স্প্যানিশ নিয়া লিখুম। মুলত শুক্কুরবার আর শনিবার রাইতে। নাইলে প্রত্যেকদিন স্প্যানিশ শিখাইতে গেলে আগ্রহ জাইবো গিয়া আর এই দায়িত্ব কঠিন মন হইব।

আজকে শেখা শুরু করবো খানা খাদ্য দিয়া। সামান্য ফল ফ্রুট আরকি। তবে একটি বিশেষ মোবাইল ফোন এর ব্যবহার কারি রা খুশি হয়া যাবে দেখলে। আজকের প্রথম শব্দ,

Apple
যার স্প্যানিশ হইল, Manzana (উচ্চারন মানজানা)
তাইলে আপেলটি বা The Apple এর স্প্যানিশ হইল La Manzana ( লা মানজানা)
এইখানে আপেল কে নারীবাচক শব্দ ধরা হইসে। স্প্যানিশ ভাষায় এই ব্যাপার টা মজার। এক এক জিনিষ কোন টা পুরুষ বাচক, কোন টা নারী বাচক।
কইসিলাম যে শুরু করুম খানা খাদ্য দিয়া। এখন কথা রাখতাসি। আমাদের আজকের

দ্বিতীয় শব্দ,
Eats
যার স্প্যানিশ হইল Come ( উচ্চারন কোমে)

এইটার উদাহরন দেওয়ার আগে আরো দুইটা শব্দ শিখে নেই, তাইলে পরের উদাহরন টা দিতে সুবিধা হইব। এই দুই টা শব্দ হইল,
He এর স্প্যানিশ হইল Él (উচ্চারন এল)
She এর স্প্যানিশ অইল Élla ( উচ্চারণ এইয়া)
তাইলে ,
He Eats Apple = Él Come la manzana ( এল কোমে লা মানজানা)
She Eats Apple= Élla come la manzana (এইয়া কোমে লা মানজানা)

আজকে এদ্দুর ই থাক। স্প্যানিশ আবার শিখবো নেক্সট উইক এ ইনশাল্লাহ।

২৪৫/৩৬৫

লেখার তারিখঃ অক্টোবর ৩০, ২০১৫

ছোটদের স্পেনিশ শিক্ষা ১

আমি অনেক দিন কিছু না করি না। তাই আজকে একটা কিছু না করার দিন কাটাইসি। কিছু না করা দিন মানে হইল যখন “কি কর?” “কি করেন?” “কি করস?” এর উত্তরে বিরাট কনফিউজড হয়া, অনেক খন মাথা চুল্কায়া, পেট চুল্কায়া, আকাশ দেইখা , বাতাস দেইখা, সিলিং দেইখা, সিলিং ফ্যান দেইখা, সিলিং এর কোনার টিকটিকি দেইখাও উত্তর খুইজা না পায়া বলতে হয়, কিছু না। কালকে রাত্রে জ্বর আসছে হঠাত। তেমন আহামরি কিছু না। হাল্কা গা শিরশিরানি আর ফ্যান বন্ধ করলে গরম লাগে ছারলে শীত করে টাইপ জ্বর। কিন্তু যেহেতু বাসাবো আসছি তাই আল্লাদ এর কমতি নাই। সারাটা দিন আজকে বিছানার এক কোনায় আমাদের নীল দেয়ালে হেলান দিয়াই কাইটা গেল। তবে একটা জিনিষ করসি। অনেক কিছু পড়সি। কিছু আতলামি কথা বার্তা এহেড। তাই ওয়ার্নিং দিলাম আগেই।
আমি প্রতিদিন নতুন কিছু না কিছু শিখুম ঠিক করসি। যাতে ঘুমাইতে যাওয়ার আগে যদি নিজেকে প্রশ্ন করি, “আজকে নতুন কি শিখসো?” তাইলে একটা উত্তর দিয়া ঠোটের কোনায় একটা তৃপ্তির হাসি নিয়া ঘুমাইতে যাইতে পারি।

এখন শিখতাসি স্প্যানিশ। কি শিখসি সেইটা একটু শিখাই। তাইলে আমার শিখাটাও ভাল হবে।

স্প্যানিশ ভাষায় “এক” বুঝাইতে দুইটা শব্দ আছে। Un (উচ্চারনঃ উন) আর Una (উচ্চারনঃ উনা) । যখন এক এর পরে কোন পুরুষ বাচক শব্দ বসে তখন ব্যবহার করা হয় Un। আর যখন কোন নারী বাচক শব্দ বসে তখন ব্যবহার করা হয় Una. যেমন Un ব্যাডা মানে একটা ব্যাডা আর Una বেডি মানে একটা বেডি। আবার Un ছ্যামরা মানে একটা ছ্যামরা আর Una ছেমরি মানে একটা ছেমরি।

এই ব্যাডা, বেডি, ছেম্রা, ছেম্রি কইতে কেরুম যানি লাগতাসে। তাই এগুলার স্প্যানিশ শব্দ গুলা শিখা ফালাই।

ব্যাডা এর স্প্যানিশ হইল Hombre (উচ্চারণ ওমব্রে)।
তাইলে একটা ব্যাডা এর স্প্যানিশ হইল Un Hombre ( উন ওমব্রে)
বেডি এর স্প্যানিশ হইল Mujer (উচ্চারণ মুখের)।
তাইলে একটা বেডি এর স্প্যানিশ হইল Una Mujer (উনা মুখের)
ছেম্রা এর স্প্যানিশ হইল niño (উচ্চারণঃ নিইনিও)
তাইলে একটা ছেম্রা এর স্প্যানিশ হইল Un niño (উন নিইনিও)
ছেম্রি এর স্প্যানিশ হইল niña (উচ্চারণঃ নিইনিয়া)
তাইলে একটা ছেম্রি এর স্প্যানিশ হইল Una niña (উনা নিইনিয়া)

Un এবং Una এর ব্যাপার টা আশা করি কিলিয়ার হইসে। এরম ছেম্রাটি বা বেডাটি বা ছেম্রিটি বা বেডিটি বুঝাইতেও স্প্যানিশ ভাষার দুইটা আলাদা শব্দ আছে। La এবং EL । El বসে পুরুষ বাচক শব্দের আগে আর La বসে নারী বাচক শব্দের আগে। উপরের ছেম্রা ছেম্রি বেডা বেডি গুলা La এবং El ব্যবহার কইরা লিখলে এরম হইব।
ছেম্রাটি El niño (এল নিইনিও)
ছেম্রিটি La niña (লা নিনিইয়া)
বেডাটি El Hombre (এল ওমব্রে)
বেডিটি La Mujer (লা মুখের)

শেষ যেইটা শিখসি আজকে তা হইল ইংরেজি তে যারে কয় I am , স্প্যানিশ এ তারে কয় Yo soy (ইয়ো সয়)। তাইলে উপ্রে যা শিখসি তা ব্যবহার কইরা আমরা এই গুলা লিখতেই পারি এখন।

আমি একটা ছেম্রা Yo soy un niño (ইয়ো সয় উন নিইনিও)
আমি একটা ছেম্রি Yo soy una niña (ইয়ো সয় উনা নিনিইয়া)
আমি একটা বেডা Yo soy un hombre (ইয়ো সয় উন ওমব্রে)
আমি একটা বেডি Yo soy una mujer (ইয়ো সয় উনা মুখের)

আজকে এইটুক ই শিখসি আমি। আরো শিখলে আবার শিখাবো নে।

২৪৪/৩৬৫

লেখার তারিখঃ অক্টোবর ২৯, ২০১৫

কিছু পুরানো কবিতা খুইজা পাওয়া গেসে। কবিতা গুলার কোন শিরনাম নাই। তাই তাদের লেখার সময়কালটাই শিরোনাম হিসাবে দিয়া দিলাম।আমার লেখা তো আমার নিজেরই মনে থাকে না, আর আমার কোন কবিতার খাতাও নাই। এইখানে ওইখানে লিখা রাখি। আর হঠাত অনেক দিন পর পড়তে গেলে মনে হয়, এইটা আবার কবে লিখসিলাম !

১৯শে ডিসেম্বর , ২০০৬

দিনের শেষ ফোনটা শেষ হলো এই মাত্র
এইবার ঘুমানো যাক একটু
মাথার ভেতর শুধু ওয়েব পেজ আর ওয়েব পেজ
মনে হয় সব মনে রাখতে হবে, সব মুখস্ত রাখতে হবে
যদি ঘুমের মধ্যে পড়া ধরে কেউ ? কি বলব তখন ?
ইদানিং অনেক বেশী চাকরী খোজা হচ্ছে
ইদানিং অনেক বেশী ব্লগ পড়া হচ্ছে
অনেক বেশী কষ্ট পাওয়া হচ্ছে
অনেক বেশী ইচ্ছে হচ্ছে বড় কিছুর অংশ হই

২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯

আমার বুকের রক্তে তারা,
হাত রাঙিয়ে আত্মহারা,
তাদের যত ঘৃনার বুলেট,
তোমার সুখের জন্যে গো মা,
বুকে নিতে পারি,
মাগো আমার হয়না ফেরা বাড়ি
১৭ই ডিসেম্বর, ২০০৮
যদি খোজো আমায়
বিজয়ের পরে,
যখন ঢেকে যায় আকাশ তোমার
সবকিছু হয়ে আলোকিত ;
আমি শুধু আধারের রঙে
তোমার মুখ দেখি মানুষের ভিড়ে
একা হয়ে,
হয়ে পরাজিত
তুমি ভেসে যাও দুর থেকে দুরে
তোমার স্রোতে ডেকে নাও আমায়
আমি তবু জানি, এখানে থেমে যেতে হয় ;
অসময়ে শুরু আমার সময়,
এভাবেই শেষ হতে হয় ।

১৪ই নভেম্বর, ২০০৭

তোমাকে ভালবাসতে হলে যেতে হয় অনেকদুর,
প‌ৃথিবীর মাঠ ঘাট পার হয়ে হয়ে,
পথে বোধহয় নদীও পরে একটা..
যখন হারিয়েছি পথ, সেই সব ঘুম ঘুম দিন
ভুলেছি কবেই..
শুধু তোমার দিকেই হেটে গেছি,
কখনো পাশাপাশি, কখনো পায়ে পায়ে।
তারপর যখন তুমি প্রায় ছুই ছুই ;
আমার বুকে ডুবে যেতে যেতে বলেছিলে,
“আমার পৃথিবী কেমন এক অন্য আলোয় আঁধার হয়ে আসে !!”
আমি শুধু কানের কাছে মুখ নিয়ে বলেছি ফিসফিস…
“সন্ধ্যা নামতে কি কখনো দেখনি আগে ? “

২৪৩/৩৬৫

লেখার তারিখঃ অক্টোবর ২৮, ২০১৫

ছোটদের অভিশাপ শিক্ষা


আজকের লেখা অনেক নেগেটিভ একটা লেখা । তাই সরল সুজা মনের অধিকারি রা এই লেখা না পড়লেই ভাল। এই লেখা পরলে আপনার সাদা মন, এশ কালার হয়া যাইতে পারে। আজকের লেখার বিষয় অভিশাপ। মানুষ মাত্রই জিদ উঠে। আর জিদ উঠলে আমরা সব চেয়ে খারাপ গালি গুলা দিয়া জিদ কমাই। কিন্তু এমন টাই হইতে হবে সেটা কোথাও লেখা আছে? আরো অনেক ভাবে রাগ কমানো যায়।

বাচ্চারা, এই খানে আমি কিছু ভদ্র অভিশাপ লিখা দিলাম। এই গুলা দিলে মন ও ভাল হবে, রাগ ও কমবে ইনশাল্লাহ।

১। তুই মুজা পরার পর সবসময় একটু ব্যাকা হওয়া থাকুক একটু যাতে জুতার ভিতর ব্যাথা লাগে ।

২। তুই মুজা পরার পর ফার্স্ট যেখানে পারা দিবি সেই জায়গাটা ভিজা হোক।

৩। তোর গিটারের পিক সব গিটারের ছিদ্রে পইড়া হারায়া যাক।

৪। তুই যখন ঘুমায় থাকবি তখন তোর বুয়া ঘর ঝাড়ু দিয়া ফ্যান অন করতে ভুইলা যাক।

৫। চা খাওনের সময় তোর চা অনেক গরম হোক যাতে খাইতেই না পারস, আর একটু পরে খাবি ভাইবা রাইখা দেওনের এক ঘন্টা পর খাওনের কথা মনে হোক যাতে চা ঠান্ডা হয়া আইস টি হয়া যায়।

৬। তোর বিস্কুট তোর চা এর কাপ এর চেয়ে বড় হোক।

৭। তোর গুরুত্বপূর্ন মানুষ দের সামনে দেয়া প্রেজেন্টেশন এর মাঝখান দিয়া কালকে রাত্রে অর্ধেক দেখা “শিক্ষামূলক” ভিডিও এর বাকি টুক আপনা আপনি চলা শুরু হয়া যাক।

৮। তোর জার্নির শুরুতে হেডফোন এ প্যাচ লাগুক আর প্যাচ ছুটাইতে ছুটাইতে ডেস্টিনেশন আয়া পরুক।

৯। তোর কম্বল দিয়া পা ঢাকলে মাথা বাইর হয়া যাক আর মাথা ঢাকলে পা বাইর হওয়া যাক।

১০। তোর নটিফিকেশন সব ক্যান্ডি ক্রাশ আর ক্লাশ অফ ক্লান এর ইনভাইটেশন হোক।

১১। তোর খালি মনে হোক ফোন বাজতাসে কিন্তু আসলে না বাজুক।

১২। তুই নিজে গাড়ি চালায়া কোথাউ গেলে জীবনেও গাড়ি পার্ক করার যায়গা যাতে না পাস।

১৩। তুই ল্যাপ্টপ থেইকা উঠনের সময় হেডফোন খুলতে ভুইল্লা যাতে যাস আর টান লাইগা ল্যাপ্টপ এর ইন্নানিল্লাহ হোক।

১৪। তুই চেয়ারে বসলে একটা বিস্রি আওয়াজ হোক, আর একবার ই হোক, যাতে সবাই ভুরু কুচকায় তাকায় নাকে হাত দ্যায়।

১৫। তুই টিকেটের জন্য যেই লাইনেই দাড়াবি সেই লাইন সব চেয়ে স্লো আগাক।

১৬। বিশাল স্ট্যাটাস লেখনের পর চাপ পইড়া সব মুইছা যাক আর তোর মনে পরুক মোবাইলে তো কন্ট্রোল+জেড নাই।

১৭। তুই দেরি কইরা সকালে উইঠা তারাহুরা কইরা বাইর হোওয়ার আগে আগে যাতে দেখস যে মোবাইলে চার্জ দিসিলি ঠিকই কিন্তু সকেটে প্লাগ না লাগায়াই ঘুমায় গেসিলি।

১৮। তোর পিচ্চি পোলা বা মাইয়া, মেহমান দের সামনে তোরে জিজ্ঞেস করুক , আব্বা তুমি রাত্রে বেলা আম্মাকে এত ডিস্টার্ব করো ক্যান? আম্মা যে শুধু এই কি হচ্ছে, এই কি হচ্ছে করে।

১৯। তোর বাস যাত্রা বিরতির পর আবার চলতে শুরু করার পর তোর মনে হোক, জরুরী বাথ্রুমে যাওয়া দরকার

২০। তোর বস অফিসের বাত্রুমে ঢুইকা দরজা লাগাইতে ভুইলা যাক, আর তোর তখনি ওই বাত্রুমেই যাতে যাইতে হয় আর সেই মিনি হার্ট এটাক মোমেন্ট এ উনার সাথে একটু আই কন্টাক্ট ও যাতে হয়।

২৪২/৩৬৫

লেখার তারিখঃ অক্টোবর ২৭, ২০১৫


ধরুন একদিন মনে হল, কি লিখবো আজকে? অনেক জ্ঞ্যান দেওয়া হলো, অনেক শিল্পকলার কথা বার্তা হলো, আজকে কি হলো না হলো তা নিয়ে আলোচোনা হলো, আর কত? প্রতিদিন একি জিনিষ লিখলে তো ভবিষ্যত এর আমি , বর্তমানের আমি টাকে বকবে অনেক। উৎসাহী পাঠিক সবাইকে সুনিয়ে জোড় জোড় এ বলবে, দেখ কি ফাকিবাজ। দেখ, দেখ।

কিন্তু প্রতিদিন লেখা আসে না আসলেই। লিখতে বসার আগ পর্যন্ত মাথা ফাঁকা থাকে। লিখতে বসলে আমি আমার ভাল লাগে করতে এরকম একটা বিষয় নিয়ে ভাবতে থাকি। ইন্সপায়ার্ড লাগে। তখন লিখতে শুরু করি আর শেষ হয়ে যায়। বিষয় ঠিক না থাকলে চোখের উপর ঘুম পাড়ানি মাসি পিসি পোল ড্যান্স করে। তাদের পারায় চোখ বন্ধ হয়ে আসে বার বার। আমার চোখের পাতা কি ওয়েট গেইন করসে অনেক। এত ঘুম পায় কেন খালি?

আজকে একটা ভাল দিন ছিল। যদিও এটাকে প্রচন্ড মন খারাপ দিন করে দেয়ার যথেষ্ট কর্পোরেট কারণ ছিল। কিন্তু না পারে নাই। আশাবাদী মন সেই সব কে পাত্তা পুত্তা দ্যায় নাই। সব চেয়ে ভাল ছিল সন্ধ্যা টা। কপাল গুনে আজ পুর্নিমা। চাঁদ টা অনেক সৌভাগ্য ও ঘাড়ে কইরা আনছে মনে হইসে।

আমি আর লিখবো না আজকে। কালকের রান্না করা খাবার দাবার গরম করব। তারপর খাবো। তারপর ঘুমায় যাবো।

অনলি ঘুম ইজ রিয়েল।
বাকি সব রিয়েলিটি।
গুন বললে ঠিকাছে সব
দোষ ধরলেই খিটিমিটি।
এই দুনিয়া সারকাস
তাই আমিও সারকাস্টিক
দেশের প্যাডে গ্যাস ভরা
আর আমগো প্যাডে গ্যাস্টিক।