১১/৩৬৫

লেখার তারিখঃ মার্চ ১০, ২০১৫

আমাদের অনেক বিজয় বাকি ছিল। বিজয় এর প্রস্তুতি নেয়া ছিল। অনেক শব্দ, অনেক বাক্য, অনেক আলো তৈরি করা ছিল। কথা ছিল বিজয় আসলেই সব নিয়ে রাস্তায় নেমে যাওয়া হবে। তারপর সবাইকে দেখানো হবে জিতে গেলে আমরা কত খুশি হই।

 

আমরা হেরে গেছি বার বার। কিন্তু চোখ মুছে বলেছি, না। পরাজয় আমাদের হলেও, পরাজিত আমরা হইনি। শুধু বন্ধুকে “দোস্ত জিতে গেছি” বলে জড়িয়ে ধরাটা পিছিয়ে গেছে। ছোট মেয়েটার লাল সবুক ফ্রক টা ইস্ত্রি ভেঙ্গে আর বের করা হয় নি। অফিসের বস রা হাসি হাসি মুখে বলেনি, কি, বাংলাদেশ তো জিতে গেল, মিষ্টি গুলা কি দোকানেই থাকবে?

 

আমরা প্রতিনিয়তই ঘরে বাইরে হেরে যাই। কিন্তু আমাদের বিজয় মিছিলের রিহার্সাল থামে নি তাতে একবারো।

 

তাই সত্যি সত্যি যখন জেতা টা আসে, আমাদের সব জমানো আনন্দ কল কল করে বের হয়ে আসে। কারো মুখ দিয়ে, কারো উদ্দাম নৃত্য দিয়ে, কারো লেখা দিয়ে, কারো শুন্যে ছুড়ে দেয়া মুঠো করা হাত দিয়ে, আর কারো শুধুই চোখের নোনতা আনন্দাশ্রু দিয়ে। বিদেশিরা ভুরু কুচকে তাকিয়ে ভাবে, এরা এমন করছে কেন? হাউ খ্যাত।  “ক্লাস গেলো, ক্লাস গেলো, বলে, একি আজিব কারখানা” শুরু হয়। রমিজ রাজা রা তাদের চড় খাওয়া মুখ নিয়ে মিনমিন করে বলার চেষ্টা করে, “লাইক পাকি”স্তনি” পিপল, বাংলাদেশি পিপল লাভস টু সেলিব্রেট দেয়ার ক্রিকেট”। আর আমরা “পাকিভাড় এর মুখে গুপ্তকেশ এর অভাব” দেখে হেসে রুম ফাটাই।

 

আমাদের এসব দেখার টাইম আছে তখন? আমাদের তখন পায়ের নিচে মাটি আর বুকের ভেতর মাটি মাটি গন্ধ। বিদেশের মাঠকে আমরা বর্ষাকাল এর উঠোন বানিয়ে কাঁদা জলে গড়াগড়ি খাই। চেনে না জানে না, নামাজ পড়তে গেলে অপমান করে, তবু জাতীয় দল এর একজন প্লেয়ার গ্যালারি তে দৌড়ে গিয়ে শুধু আমার দেশ এর ভাই বলে আরেক বাংলাদেশি দর্শক কে জড়িয়ে ধরে। হয়তো কানে কানে বলে দেয়, জিতে গেছি ভাই, মাকে বলিস, জিতে গেছি।

 

বাংলাদেশ ক্রিকেট দল কে আমাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য অভিনন্দন, আমাদের বিজয়ী বানানোর জন্য অভিনন্দন।

 

এই ১১ নম্বর নোট এ সেই ১১ জন এর জন্য লিখতে পেরে গর্বিত বোধ করছি।

১০/৩৬৫

লেখার তারিখঃ মার্চ ৯, ২০১৫

 

Feeling blank is as weird as feeling sadness or feeling depression. It’s like, after staring at that little dead skin on your finger tip, you suddenly realize, you have no memory of past half an hour. This is the stage where inspiration comes, stir you and snap! It’s gone. No effect whatsoever cause you are feeling blank.

 

You are thirsty but you think it’s okay not to get up and grab that water bottle. Feeling blank is the middle of a history book where you are the reader and you are not sure if you want to know the rest. Cause that doesn’t matter as it already happened. I am feeling blank while even thinking about how feeling blank feels like.

 

I am a bit better now from the depression and sadness from the last few days. But it’s not entirely gone yet. At first, it was way up my head, enough to drown me but now I am standing on about knee high of it. And along came the “Feeling Blank” phase. I know that after that it will come to Attention Seeking phase where I will try to grab people’s attention towards me and I would want to feel important. I would want to matter like every other people on the internet. So this one-time-a-day approach for Facebook is really working out as a counter measure for that desperate measure for me.

 

আব্দুর রহমান বয়াতি বলসেন,

 

“ঘড়ি দেখতে যদি হয় বাসনা, চলে যান ঘড়ির কাছে,

যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে ঘড়ির ভিতর লুকাইছে।”

 

আমি সাধারনত ঘড়ির কাছে যাই না। লজ্জা লাগে। কথা বার্তা বলতে পারি না তাই আমি সবসময় এন্ডস আপ ইন অকোওয়ারড সাইলেন্স। কিন্তু মাঝে মাঝে ঘড়িই আমার কাছে চইলা আসে। বেচারা ঘড়ি। আমার ভিত্রে তো ক্লকস্মিথ এর লুকানির জায়গায় ই নাই। ঘড়ির মেকার, “আউট অফ অর্ডার” বোর্ড ঝুলায় দিয়া পালায় গেসে।

 

তাই আজকে একটা মজা হইসে। লাঞ্চ খাইতে গেসি। যেই বইটা পড়তাসিলাম এদ্দিন, জন গ্রীন এর “লেট ইট স্নো”, অইখান শেষ হইসে সকাল বেলা নাস্তার সময় ই। অখন এই লাঞ্চ সমুদ্র কিদ্দিয়া পারি দিমু ভাবতে ভাবতে লাঞ্চ এর ট্রে হাতে লয়া বসনের জায়গা খুজতাসিলাম। এমন সময় তারেক ডাক দিল, এই ইথার, এদিক এদিক। আমিও বেশ ভীড়ের মধ্যে যায়গা রাখা লেভেলের দোস্ত পাইসি বইলা আগায় গেলাম।

 

তারেক এর সাথে এক ভাইয়া ছিল। আগে কখনো দেখি নাই। আমি হাই হেলো কিবস্থা টাইপ এর মুখস্ত হাসি দিয়া নতুন একটা বই শুরু করনের তাল করতাসিলাম। এরুম সময় তারেক কইল, ইথার, ইনি আজকে জয়েন করসে আমাদের টিম এ। ইউ গাইজ কন্টিনিউ, আমি নামাজ পইড়া আসি।

 

আই ওয়াজ লাইক, সিনেমায় নির্যাতিত বউ যেমন মাতাল স্বামীর পা জড়ায় ধরে, ও গো আমি তোমাকে ওই পাপের পথে যেতে দেব না টাইপ এর, ওম্নে তারেক এর পা জড়ায় ধরি। একি বিব্রতকর অবস্থায় থুইয়া যাইতাসে গা। আমি আলাপ করুম? আমি? এর চেয়ে জিপি হাউজের খাম্বাও ভাল আলাপ সালাপ করতে পারে।

 

যাই হোক, নিষ্ঠুর তারেক গেল গা , আমি আবারো হাই হেলো কিবস্থাআআ এর লুপ এ পড়তে গেসিলাম কিন্তু ওই ভাইয়াই দেখি কথা কইল, “ইথার মানে, আপ্নে কি ফয়সাল আকরাম ইথার?” আমি তো মনে মনে ভাব্লাম, “কাম সারসে, আমি তো হের একটু আগে শুনা নাম ও মনে করতে পারতাসি না” আর মুখে কইলাম, “ হে, হে… জি … হে হে” ওর এইটাইপ কিছু একটা। উনি বলল, “আমি আপনার কাজ দেখসি নেট এ। ভাল লাগসে।“ আমি তো এক্কেরে খুশি হয়া গেলাম। আয় তোরে চুমু খাই টাইপ অবস্থা। লজ্জায় কিছু জিগাইতেও পারি নাই, কুন কাজ, আকাজ না ভাল কাজ, কি ভাল্লাগসে? আমি খালি কুনমতে কইতে পারসি “ হে, হে, হে… জি … হে হে … থেঙ্কিউ … হে হে”।

 

আমরা আরো কিছুদুর আলাপ করলাম। উনি বিরাট কাবিল লুক। বিদেশ (দেশের নাম কইসিল মনে নাই) থিকা গ্রাজুয়েশন করসে, আই বি এ থিকা এম বি এ করসে। আমারে কইল, আপ্নি টো টিটিএল এও আছেন তাই না। “আমি আবারো হে হে এন্ড রিপিট। এরুম কইরা আর কদ্দুর কথা বারতি আগান যায়।

 

মন রে অনেক চিপা মিপা দিয়া দি বেস্ট আই কুড থিংক অফ আস্কিং ওয়াজ, ভাইয়া কই থাকেন? উনি ততক্ষণে আমার সোশাল স্কিলস সম্পর্কে সম্যক ধারনা পায়া গেসে। তাই “ধান্মন্ডি” উত্তর দিয়া উনি তাকায় থাকলেন এন্ড হে হে বংশের ইজ্জত রাইখা আমি কইলাম “ হে হে… আমি সুভাস্তু থাকি… হে হে” ।

 

আলুচনার এই পরযায়ে তারেক আইসা অবস্থা বুইঝা উনারে তারাতারি উঠায়া লয়া অন্য টেবিল এ গেল গা। আল্লায় বাচাইসে উনারে। নাইলে আমার এরম হে হে শুইনা ওই বেচারা আইজকা জয়েন কইরা আইজকাই চাকরি ছাইড়া যাইতো গা। আমার কথা বার্তা বলা শিখা উচিত, কিন্তু নিজে বিড়বিড় করলেও লুকজন লুক দ্যায়, আমি পরীক্ষা কইরা দেখসি, সত্য ঘটনা।

 

টাইম হপ এপ্টা আমার খুব পছন্দ। পুরান কবিতা খুইজা পাওয়া যায় অনেক। আমার তো নিজের কবিতা মনে থাকে না। তাই আমার মত ভুল্ভুল আবুল দের জন্য এই এপ একটি আশীর্বাদ স্বরূপ। আইজকা যেমন এইটা খুইজা পাইসি, ৩.৩.২০১১ সালে লেখাঃ

 

তোমার চোখের কাঁপন দেখে

না হয় একটু কেঁপেই গেলাম

এতে আমার দোষ টা কই?

দেখুক সবাই কেমন করে

হচ্ছি আমি নিত্য তোমার

আহলাদের তাপের খই।

৯/৩৬৫

লেখার তারিখঃ মার্চ ৮, ২০১৫

Fairy tales are important for a child. Dreaming is important for a child. To hear a story and get moved by it, is important for a child. If you are giving your child a tab or a smart phone instead of a story, because you don’t have time for a story; you are killing your offspring.

I’ve watched the movie “Wizard of Oz” (1939) today. And I am happy that I saw it. It is now my all time favorite. I also regret why I haven’t watched it before. But the movie was so magical; philosophical and cinematic that the regret dissipated soon like a witch disappears on her broom after a evil lough.

‘ওজ এর জাদুকর’ বইটা প্রথম পড়ি ক্লাস ফাইভ এ। সেবা অনুবাদ। এত মুভড হইসিলাম। তখন থিম এর চেয়ে বেশি বুঝসিলাম ম্যাজিক এর ব্যাপার গুলা। আমাগো বাসা রে ক্যান ঝড় এ উঠায় নিয়া মাঞ্চকিন গো গেরামে ফালায় না, এইডা লয়া অনেক আফসুস করসিলাম মনে আসে।

এতদিন সিনেমাডা দেখুম দেখুম কইরাও দেখা হয় নাই। “অস্ট্রেলিয়া” সিনেমাতে প্রথম দেখি এই সিনেমার ক্লিপিং। তারপর এতদিন এ আইসা দেখলাম। আহা মনিটর এর সাথে আঠার মত লাইগা ছিল চোখ। এই সিনেমা আমাদের স্কুল গুলায় অবশ্য দেখনিয় টাইপ কইরা দেওয়া উচিত। যার মেসেজ পাওনের সে মেসেজ পাইলো। বাকিরা কিছু না বুঝলেও নির্ভেজাল মজা টা তো নিল।

আজকে আমি ইন্সপাইরেশন এর জন্য অনেক খোঁড়াখুঁড়ি করসি। পাইসিও। প্রথম ইন্সপাইরেশন আসছে মেটালিকার Wherever I May Roam গানটা থিকা। গানটা আগেও শুন্সি কিন্তু আজকে একদম লিরিক্স ধইরা ধইরা শুন্সি। অনেক সুন্দর লিরিক্স,

Rover, wanderer
Nomad, vagabond
Call me what you will

But I’ll take my time anywhere
Free to speak my mind anywhere
And I’ll redefine anywhere

Anywhere I roam
Where I lay my head is home

যেটার দুর্বল অনুবাদ করতেসিলাম মনে মনে,

“যেখানে আমি মাথা ঠেকাই
সেটাই আমার ঘর
আমি কোথায়
আর হারাবো?
যখন আমি ই যাযাবর”

আর ২য় ইন্সপাইরেশন এই মুভিটা। একদিন এ দুদু বার করে ইন্সপাইরেশন পাওয়া বেশ ভাগ্যের ব্যাপার কিন্তু।

আজকেও এক্টা এত্ত বড় চাঁদ উঠসিল। এইরকম চাঁদ উঠতে থাকুক। প্রথমে বিল্ডিং এর ফাকে দেখবো তখন অনেক ছোঁয়া যায় মনে হবে। তার পর অনেক খন দেখবো না। তারপর চাঁদ অনেক উপর থেকে বলবে, হাহা, টু লেট ডুড। টুউউ লেট।

৮/৩৬৫

লেখার তারিখঃ মার্চ ৭, ২০১৫

If they can’t let us dream, we won’t let them sleep. There will be times when we will be driven towards the cliff cause the driver has been bought. But that doesn’t mean we won’t take back control. There will be times when all these preserved words that they tried to wipe out will find their way out. There will be judgment of the judges, goodness of the Gods will be questioned.

But may be today is not the day. May be today we are meant to devour our thirsty souls into the sea of mozarella cheese. Today I dine in Pizza.

আমি পিজা হাট থিকা চাইড্ডা পিজ্জা কিন্না আঞ্চি। দুইডা খাইসি। দুইডা ইট্টু পরে খামু। এহন কেরম হাস ফাস লাগতাসে (নো হাস ওয়াজ হারমড)। তাই ভুরিডা সিলিং এ ঠেক দিয়া হুইতা আসি। আর জীবন ও জীবিকা, কালি ও কলম, বাম ও মলম ইত্যাদি নিয়া উচ্চ স্তরের চিন্তা ভাবনা করতাসি।

আজকে আমি অনেক অনেক দিন পর প্লেন স্পটিং এ গেসিলাম। কেমন অপরাধি অপরাধি লাগতাসিল। এই বছর এ আজকেই প্রথম। কিন্তু প্লেন ব্যাপারটাই এত অসাম যে দেখলেই মন ভাল হয়া যায়। আপ্নার যদি প্লেন ভাল ও না লাগে তবু শুক্রবার বিকালে উত্তরা জসীমুদ্দিন নাইমা রিক্সাওলা কে বলবেন, বাউনিয়া যাবো, রানওয়ের পাশে। সে ঠিক ঠিক নিয়া আসবে।

দেখবেন কি মেলা বসছে এইখানে। এত মানুষ আসে প্লেন দেখতে যে কেমন প্রাউড লাগে। আমি একটা ফ্যামিলি খুইজা বাইর করি যেখানে একটা পিচ্চি আছে, তার পর পাশে দাড়ায়া উদাস দৃষ্টিতে আকাশ দেখি। আর নাইলে রানওয়ে এজ এর ফেন্স ধইরা ওদের মত হা কইরা থাকি। এন্ড ইউ আর অল্রেডি ব্লেন্ডেড। পিচ্চি গুলার প্রশ্ন আর সাথে আসা মানুষগুলার উত্তর গুলা শুইনেন। মন ভাল হয়া যাবে

– পেলেন কহন আইবো আব্বা?
– লাইন কিলিয়ার দিলেই আইব
– লাইন কিলিয়ার দ্যায় না ক্যারে আব্বা?
– পাকি যে, লাইনে পাকি। পাকি সল্লেই লাইন কিলিয়ার দিব

– আম্মা উইদ্দেহো পেলেন
– আরে বেক্কল পোলা, পেলেন দিয়া টাক লাগবো মাতায়। ইদিক আয়া খারা।

(ফ্লাইং ক্লাব এর ছোট সেসনা প্লেন দেইখা) – এই যে এইডা অখন যাইব সৌদি আরব
– আরে এডি ডমেস্টিক। মিরপুর গিয়া নাইম্মা পড়ব।

(রানওয়ে এজ এর লাল বাতি দেইখা) – অইযে বাত্তিডা যহন সবুজ হইব, তহন ই পেলেন নাম্বো

– খালি লন তিরিশ। পেলেন লন তিরিশ (ইনফ্লেটেবেল প্যান এ্যাম সেভেন ফোর সেভেন ওরফে পেলেন মারকা বেলুন বিক্রেতা)

-আংকেল (!) এই যে সবি তুল্লেন, এগুলি দিয়া কি করবেন?
– বিক্রি কইরা কোটি কোটি টাকা কামাবো

– হেলো, হেলো, সাত্তার বাই, তুমার পেলেন দেখসি, এই যে অখন লর’তাছে, অক্ষনি দোউড়াইব। টাইট হয়া বয়া থাকো।
– (এই লোক ই আবার প্লেন টেক অফ করার পর) হুর, বালের গ্রামীন ফোন, পেলেনের বিত্রে নেটোয়ারক নাই।

ওইদিন, পূর্নিমা ছিল যে দিন, আমি বসুন্ধরার রাস্তায় মহান রাশার জন্য ওয়েট করতাসিলাম। ও আইব গাড়ি নিয়া আর আমরা ফেরদুইচ্চার বাসায় যামু। এমন ছিল প্ল্যান। রাস্তায় হাটাহাটি করতাসি, একটা কুকুর যাইতেসিল পাশে দিয়া। আমি এক্টু হাত বাড়ায় দিলাম আর ও গন্ধ শুইকা ল্যাজ নাড়ায় দিল। ব্যাস আমাদের হয়া গেল ফ্রেন্ডশীপ।
মাথায় আদর করে দিলাম, গলার নিচে আদর করে দিলাম, শরীরে ধুলা লাগসিল, ঝাইরা দিলাম। এক্টু পরে দেখি উনার পরিবার আইসা হাজির। একটা মেয়ে কুকুর আর একটা পাপি। কি সুন্দর পাপিইইই। সব গুলা এক সাথে লেজ নাড়ায়, সব গুলার আদর চাই। রাশা আসার পরে গাড়িতে উঠতে গেসি, এগুলাও আমার সাথে সাথে উঠতে নিসে গাড়ি তে।

ওরা আমার কুড়িয়ে পাওয়া নির্ভেজাল শর্তবিহীন ভালবাসা।আমার মত অপাত্রে ভালবাসা দানেও কোন কুন্ঠা নাই এদের।

আঁকতে বসে ঝড় এর ছবি
হঠাৎ আমি হলাম কবি
“সুর” এর সাথে ছন্দ মিলাই
হুমমম… “আখের গুড়”
মনের ভেতর কুর মুর মুর
বাদাম চানাচুর

৭/৩৬৫

লেখার তারিখঃ মার্চ ৬, ২০১৫

Today I’ve found myself again at a corner, quietly listening to the people around me. There’s a kind of solace, an anti-insurgent feeling, a bliss in doing this. The reason may be , this way, I feel invisible. I feel like a travelling soul that went back to it’s loved ones to see what they are thinking.

If I could have one super power, I would definitely go for invisibility. Not because I am a creep (which to some extent I am may be) but to find answers from the other side. That way may be I could see what I don’t understand, may be I could find the answers.

I can’t align myself with so many popular beliefs (not religious beliefs) now a days. For example, people are so self conscious these days. They don’t let themselves take illogical risks like falling in love or being a nerd or even mastering a non popular form or art. Which is okay, who but a mad man would want to just crash and burn. But we are humans, we are designed to mistakes. The feeling that you “can” let yourself go for crash and burn, is something only humans are capable of. When was the last time you did something you want to, not something you need to.

আমি আজকে ফেরদোউস এর বাসায় আসছি। সাথে আমার বন্ধু মহান রাশা রেও সাথে নিয়া আসছিলাম। ফেরদোউস আমাদের মাশ্রুম স্পেগেটি আর ম্যাশড পটেটো রান্না কইরা খাওয়াসে।

ফেরদোউস এর আরো বন্ধু রা ছিল। খাওনের পর সবাই মিল্লা বেশ জমায় আড্ডা উড্ডা মারসে। আমি বয়া বয়া হুন্সি। আমার জর আইতাসিলো। আমি ফেরদৌস এর ফুলাতা গেঞ্জি আমার টি শারট এর উপ্রে পিন্দা বয়া আসিলাম।

আমি এই কাজটা খুব সচেতন ভাবে করি। ফুলাতা টিশার্ট পরার কাজটা না। এই আমার দুই আলাদা সার্কেল এর ফ্রেন্ড দের এক্লগে মিলায় দেওয়ার ব্যাপারটা। এইটা খুব জরুরী। আমি এই টারে বলি “বন্ধু শংকর”।

এইটা এক রকমের অফলাইন ফেসবুক ফেসবুক খেলা। মজা লাগে দেখতে। দুইটা চক্র মিলতাসে, মাঝখানে আমি। আমার কারনে দুই আলাদা সার্কেল এর লুকজন এর প্রেম ভালবাসা হইসে এমনও হইসে। আবার দুই সার্কেল এর হেরা হেরা মিল্লা পরে খুব দোস্ত হয়া গেসে আমারি খবর নাই এরম ও হইসে। আমি এরম করি আর সাম্নে বয়া মজা দেখি।

এখন সবাই মিল্লা চাইনিজ সিনামা দ্যাহে। আমার কিরুম জানি কাপ্নি দিয়া জর আইতাসে। ভালই লাগতাসে। অনেক দিন পর আবারো খেতার আলিংগন।

যারা চাক্রি করে, বৃহস্পতিবার তাগো কাসে চান রাইতের মত। ইনফ্যাকট আইজকা চান রাইত ও। আজ পূর্ণিমা। বসুন্ধরার উপ্রে দেখসিলাম ইয়াব্বর একখান চান উঠছে। চাঁদ দেখলে ভিত্রে কি জানি একটা নইরা চইরা যায়। মনে হয় চাঁদ মানে মুক্তি।

মনে হয় বলি,

এই অনিচ্ছাকৃত মধ্যাকর্ষণ এর জন্য দুঃখিত।
একদিন অবশ্যই তোমার কাছে যাব।
তারপর দেখব, তুমি অপেক্ষা করছো না।

৬/৩৬৫

লেখার তারিখঃ মার্চ ৫, ২০১৫

I’ve been reading this book, “Let it Snow”. It’s a collection of 3 short stories by John Green (A cheertastic Christmas Miracle), Maureen Johnson (The Jubilee Express) and Lauren Myracle (The Patron Saint of Pigs). I am done with Maureen Johnson and John Green. Now I’m at the middle of Lauren Myracle’s story. When I’m finished with this book, I can proudly say (more like proudly think) I’ve read all the John Green Books.

 

I think it’s a good practice that when you love a book, naturally you would want to know what else the writer had written. It’s like someone liked the tea in a restaurant and then trying all it’s other dishes from the same cook or kitchen. Cause they have this harmony in taste in all the dishes although may be different people are cooking them. My point is, you love a book, go read all the other works of the same writer. It takes you more close to his way of telling a story.

 

“লেট ইট স্নো” বইটার গল্প গুলা সাজানোটা খুব মজার। তিন জন ভিন্ন ভিন্ন লেখক, তিনটা ভিন্ন স্টাইলে লিখসেন, কিন্তু একটা নিদ্রিস্ট টাইমের, নিদ্রিষ্ট ঘটনা নিয়াই তিনটা আলাদা জায়গা থেইকা। সব গুলা গল্পের মুল চরিত্র ভিন্ন কিন্তু ওই একি ঘটনার সাথে রিলেটেড কমন চরিত্র গুলারো দেখা পাওয়া যায় তিনটা গল্পেই।

 

এই ধরনের ছোট গল্পের বই বাংলা সাহিত্যে আছে কিনা আমি জানি না। অনেক সময় হয় না, যে গল্প বলার কম্পিটিশন হয়? একজন একটা গল্প শুরু করে, আরেকজন তার সাথে কিছু যোগ করে, তারপর আরেকজন আরো কিছু, এইভাবে গল্প আগায়। “লেট ইট স্নো” বই এর তিন্টা গল্প এইভাবেই সাজানো। জন গ্রিন এজ ইউজুয়াল টিন এজ সাইড টা কাভার করসে। আর বাকি দুইজন অন্য এঙ্গেল গুলা।

 

বইটার সময়কাল ক্রিসমাস এর সময়, আমেরিকা। চরম তুষারপাত, সবাই এবং সব কিছু আটকা পরসে বিভিন্ন জায়গায়।এর মধ্যে তিনটা কাহিনী প্যারালাল তিনটা জায়গায় ঘটতেসিল, এক জায়গায় আইসা মিলসিল তারপর আবার নিজ নিজ রাস্তায় চইলা গেসে। অনেকটা এই রকম – X

 

স্পিকিং ওফ এক্স, ইল্লিগাই আসলে প্রাক্তন সব সম্পর্ক গুলারে এক্স বলা হয়। এক্স গার্লফ্রেন্ড, এক্স ওয়াইফ, এক্স কলিগ এর সব গুলা এক্স এর মানে হইল আমরা দুই জন আসলে আলাদা রাস্তায় ছিলাম। চলতে চলতে এক জায়গায় মিলসিলাম। তারপর আবার দুইজন দুই দিকে চইলা গেসি। আর ব্যাপার টা দেখতে হয়া গেসে X।

 

“লেট ইট স্নো’’ বইটা তুষারপাত নিয়া লেখা তো, তাই পড়তে পড়তে আমার অনেক শীত করে। আর আমাগো অফিসের বাত্রুম গুলার লগে এন্টারটিকার ডিরেক্ট কানেকশন আসে। এরুম ঠান্ডা বানায় রাহে। এইখানে জ্যান্ত মানুষ ঢুকে আর জুতা পড়া আইস্কিউব হয়া বাইর হয়। তাই “লেট ইট স্নো” পড়ার বেস্ট জায়গা অপিশের বাত্রুম। পড়তে পড়তে আমার মনে হয়, বাত্রুমে তুষারপাত হইলে খারাপ হইত না। হাক্কইরা খায়া লাইতাম এট্টু তুষার।

 

শীত করে তাই এই বইটা যতদিন পড়তাসি, ততদিন আমি ফুলহাতা শার্ট এর হাতার বোতাম লাগায়া অফিস করি। এই কারন ডা কাউরেই কই নাই। এম্নেই দ্যাট উইয়ারড ম্যান হয়া থাকি, তারুপ্রে আবার এই কারণ কইলে সব উল্টায়া পড়ব আর দ্রুত আমারে স্টেরিওটাইপড কইরা ফালাইব,“এহ আইসে” লুক দিব। কইব, “আরে ও কি সব বই টই পড়ে আর ভাব লয়। তয় টেকনিকেল ডকুমেন্ট পড়ে না। আউট বই পড়ে”।

 

নট দ্যাট আই কেয়ার এবাউট হোয়াট দে থিংক, কিন্তু আমি অনেক অনেক লো প্রোফাইল নিয়া চলি অফিসে। এট লিস্ট ট্রাই করি লো প্রোফাইল রাখতে। দি সিম্পসন্স এ হোমার সিম্পসন এর একটা ডায়লগ আসে অফিস নিয়া। আমার খুব পছন্দ। উনি বলসেন, “অফিসে আমি গোলাপি শার্ট পিন্দা যামু? অসম্ভব। আমি আলাদা হওয়ার মত অত জনপ্রিয় না”।

 

আর এইডা খুবি সত্যি কথা। বাচ্চারা মনে রাখবা, অফিস একটা পুরাই আলাদা জগত। এই খানে পপুলারিটির আর সবার থেকে আলাদা হওয়ার নিয়ম বাইরের জগতের নিয়মের সাথে যায় না। এই খানে তিন ধরনের লোক এর আলাদা হউনের অধিকার থাকে।

 

এক, হয় হে নতুন আইসে। আউ ভাউ চ্যাদ ভ্যাদ এখন বুঝে নাই।

 

দুই, হে বিরাট পোস্ট এ আসে। আলাদা হইলে অধিনস্ত লোকজনের কাসে আধুনিক যুব সমাজের প্রতিনিধি হিসাবে ভাব নিতে সুবিধা হয়। যেহেতু তার পোস্ট বড় তাই কেউ কিছু তারে কইব ও না।

 

আর তিন, দুই নাম্বার টাইপ এর আত্মীয়,স্বজন,বন্ধু, বান্ধব, বান্দুবি, সৌদি আরব (তেল সাপ্লায়ার) ক্যাটাগরির লুকজন। এরা দুই নাম্বার টাইপ যাই করে, পরের দিন থিকা তাই করা শুরু করে আন্টিল দা দুই নাম্বার টাইপ চেঞ্জেস এগেইন।

 

এই সব লোকজন ওস্তাদ লোকজন। আমি কুনু ক্যাটাগরিতেই সুবিধা করতে পারি নাই। তাই মাথা নিচু কইরা থাকি।

 

 

আমি আঁধার

আমি আলো

আমি চেনা সাদা কালো

আমি রোদ

আমি ধোয়া

আমি আকাশ হয়ে যাওয়া

 

আমি ঘুম

আমি রাত

আমি স্বপ্নে ধরা হাত

আমি মেঘ

আমি ঢেউ

আমি জলের নিচের কেউ

৫/৩৬৫

লেখার তারিখঃ মার্চ ৪, ২০১৫

 

These days, I am trying to avoid any kind of verbal communication with people. It seems to me that I am what I am in my thoughts and believes until I open my mouth to speak. Then the person speaking is not me, it’s someone else whom I see from a distance with a utter disgust. Though I am not much of a talker in any situation, but still the slightest amount of talks I have to do everyday now, makes me feel that it’s eating my sanity up.

 

For me, talking with anyone starts a chain reaction of depression and self pity and it goes on until the next conversation begins. I realized,  not only I have to put up a straight face but also a straight tone when I speak. I don’t want the other talkie to know that I don’t like this conversation. That would be rude. And though it’s hard to imagine, I can’t be rude on the face to someone. That’s my weakness. My kryptonyte. The mare thought of I-Have-to-be-rude makes me crawl inside my shell.

 

Even though I work in a mobile phone company, I hate talking over the phone. Answering the phone is like the big red button, the trigger to end all human kind and puppys and kittens. Texting is alright though, texting is much much better.  We should shut down our voice network so that people can only text each other. Impossible but how blissful it would be. Me, replying to people only when I want to. I should not let a stupid smart phone decide my mood.

 

আমার প্রতিদিন কম্পক্ষে ১০০ টা কল রিসিভ করতে হয় অফিসে বইসা। যারা ফোন দ্যায় তারা আমাদের ভেন্ডর, অন্য ভাবে বলতে গেলে সাব কন্ট্রাক্টর। এরা বেশিরভাগ ই সহজ সরল, কঠোর পরিশ্রমী ভাল মানুষ। কথা বলতে গেলে কারো কারো বিনয়ে গলা বুইজা আসে আমি টের পাই। আমরা যখন অফিসের আরামদায়ক শীতলতায় বইসা বইসা প্ল্যান করি, এরা মাঠে, ঘাটে, টাওয়ারের উপ্রে উইঠা সেই প্ল্যান বাস্তবায়ন করে। তবু আমাদের ভাব বেশি, আমরা এদের থিকা বেতন বেশি পাই। অফিসের এন্ট্রি লেভেল এর লোক্টাও মনে করে এগো লগে ভাব সাব লউনের অধিকার আছে।

 

এদের সাথে বেশিরভাগ মানুষ ই খারাপ ব্যাবহার করে। এক কাজ একশবার করায়। বেচারা সাইট এ বইসা ঘামে আর তারে ফোন এ বলা হয়, আমি তো লাঞ্চ এ, দুই ঘন্টা পড়ে ফোন দেন। বেচারা আবার দীর্ঘ যাত্রাপথের কথা চিন্তা কইরা সাইট এই বইসা থাকে।

 

আমি এদের সাথে জীবনেও ঝারি দিতে পারি নাই। কোন মহান কারণে না। আমি ঝারি দিতে পারি না তাই। কাউরেই পারি না। সমস্যাটা হইল, হয়ত এদের একজন এর সাথে ভাল কইরা ইক্টু কথা বললাম, অথবা এক্টু কাজে হেল্প করলাম, ব্যাস এরা ছড়ায় দ্যায় অমুক ভাই (আমি, নিজেরে অমুক কইতাসি, কি অদ্ভুত) এর কাছে ফোন দিলে কাজ হয়। তাই সবাই দলে দলে ফোন দিয়া দো জাহানের অশেষ নেকী হাসিল করুন। ব্যাস শুরু হয়া যায় ফোন আসা।

 

যার যত অফিসিয়াল, পারসোনাল, ইমোশোনাল প্রব্লেম আসে সব লয়া ফোন দিতে ঝাপায়া পরে। এমন ও হইসে, ফোন দিসে, ধরসি, সম্পূর্ণ অন্য ডিপার্টমেন্ট এর কোন কাজ আমারে জিগাইতাসে। আমি খুব ভাল মত বলসি, “ভাই দেখেন, এইটা তো আমি দেখি না, তমুকরা দেখে, ওদের কাউকে ফোন দেন, ওরা হেল্প করতে পারবে”। সেই সাব কন এর উত্তর ছিল, “ভাই অমুকদের তো ফোন দিসিলাম, ওরা কি কয় বুঝি না, আপ্নের কথা বুঝি। আপ্নে একটু ওদের কাছ থিকা বুইঝা আমারে বুঝায় দ্যান।“ আমি অফিস্টাকে মামা বাড়ি কল্পনা কইরা আবেগে মূর্ছা যাই।

 

আজকে এরম ই এক সাব কন আসছে। আইসা চুপ চাপ দাড়ায়া আসে আমার পিছনে। আমি আমার রিভলভিং চেয়ার টা লয়া এক্টূ উইইইইইইই মারকা ঘুরান্তি মারতে যামু, তখন দেখি এই ব্যাডা। হার্ড ব্রেক করতে হইসে। এক্কেরে চমকায় উঠসি (কিশোরগঞ্জে এইটারে বলে অক্করে ছিত মাইরা উঠসি)। আমারে ঘুরতে দেইখা ব্যাডা হাসি হাসি মুখ কইরা বলল,

 

“বাইয়া, টাওয়ার তো লড়ে”।

 

আমি মনে তউবা তউবা পড়তে পড়তে পেন্টের চেন মেন চেক কইরা ওরে জিগাইলাম, টাওয়ার লড়ে মানে? সে খুবি গলা নিচু কইরা বিশাল ষড়যন্ত্র করতাছি এরুম ভাব লয়া কইল,

 

“টাওয়ার তো লড়ে, ওই যে নদীর পারে যে টাওয়ার টা বহাইসেন, হেইয়ায় তো বাতাস পাইলেই লড়তে আসে। হেইকালে মোর সাইট রিজেক্ট কইরা দেসে। এহন আপ্নে একটা সমিদান দ্যান, আমরা খুবি সমিস্যার মদ্দে আসি।“

 

সারমর্ম যেইটা বুঝলাম , নদীর পাড়ে মোবাইল টাওয়ার। টাওয়ার এ আমার প্ল্যান দেওয়া কোন একটা মাইক্রোওয়েভ লিংক এর এন্টেনা। সে এন্টেনা বাতাস আসলে নড়ে আর সিগন্যাল উলটা পালটা হয়। ওই জন্য আমাগো অফিস উনার সাইট এপ্রুভ করে নাই। এইটা এখন সল্ভ করতে হইব।

 

কইরা দিলাম সল্ভ। তেমন কিছুই না। এন্টেনার হাইট একটু কমাইতে হইসে আর আরেকটা এন্টেনা দিয়া প্রোটেকশন দিতে হইসে। যাতে টাওয়ার লারা চারা করলেও সিগন্যাল মিস না হয়। আর ওই লোক কি খুশি । আমারে যাওয়ার সময় বলসে,

 

“বাইয়ায় মোর জেবন্ডা বাসাইলেন। মুই তো ভাবসি, হেইকালে সাইট পাশ করাইতে টাওয়ার এর পায়ে দইরা খারায় থাকতে অইবে।“

 

এত কিউট লোকজন তবু ফোন ধরতে ভাল্লাগে না। গড়ে প্রতি ১০ মিনিট এ একটা ফোন রিসিভ করতে হইলে কার ভাল্লাগে। আর আমি ভুইলা যাই সব। এত ইস্যু আসে। একটা নোট প্যাড খুইলা লিখা রাখি সব কিন্তু একটা সময় পর নোটপ্যাড টার কথাউ আর মনে থাকে না।

 

বুবা হয়া গেলে ভালইত। চোখ আর লেখা লেখি কইরা সব বুঝায় দিতাম। ফোন ধইরা মাথা ঝাকায়া হয় হয় কইতাম। ওই পাশ থিকা বিরক্ত হয়া থুইয়া দিত।

 

ও অনেক আগে লেখা পুরানো একটা কবিতা খুইজি পাইসি আজকেঃ

 

নিভে জাওয়ার আগে,

আলো টাকে ভালো লাগে খুব

বিকেলের কত মায়া

তবু দিন শেষে সূর্যের ডুব

 

এখানে , অন্ধকারে

স্বপ্নের আসা যাওয়া দেখে

ভাবি একদিন থেকে যাবে তারা,

একা ঘুম, চলে যাবে, ,তাকে রেখে

 

তখনই এই চোখে ছায়া পরে তার

মেঘেদের সাথে তাই অকারন অভিমান হয়

শুধু বৃষ্টি থেমে গেলে কোন কোন দিন

ভালবাসি, জানা হয়।

৪/৩৬৫

লেখার তারিখঃ মার্চ ৩, ২০১৫

 

I was in the middle of sleep and awake. Suddenly, I started to think, what does the Quran says about sleeping. An impatient google search and I found this verse from the Quran. I really liked this one. It says,

 

“And it is He who has made the night for you as clothing and sleep [a means for] rest and has made the day a resurrection. [Al-Furqan, 25:47]”

 

The verse pretty much explains it self if you go for the literal meaning. For me sleep is like a retirement. Okay, I had a long day, let me just sleep it over. Okay, it’s more than a long day, it’s the worst day , let me sleep it over. No matter what, I never had a sleeping problem. I’ve read and heard that when your heart breaks, all the sleeps drips through it and your sleepless nights kind of starts. But it never happened to me. May be the heart is not broken enough which is very unlikely or I am so full of sleeps that it doesn’t matter if a drop or two falls off. I am gonna sleep through zombie apocalypse , I am gonna sleep through a burning house and I am pretty sure I am gonna sleep through the judgment day too.

 

When all will be gathered in the field of Arafah for the judgment day, you will see a tall guy will join the crowd very late after everyone with a awkward smile saying “ammm… sorry… I overslept”

 

ঘুমের সমস্যা আমার কোনদিন ই হয় নাই। আমি সব খানে সব অবস্থায় ঘুমায় যাইতে পারি। ইচ্ছা ঘুম। অনেক সময় ইচ্ছা না থাকলেও ঘুমায় যাই। কিন্তু দুনিয়া ভাইসা যাক, কলিজা ফাইটা যাক, সব প্রিয় মইরা যাক, আমি তবু ঘুমায় পরতে পারি। কোন ব্যাপার ই না। গল্পে টল্পে লেখে, সারা রাত এপাশ ওপাশ করতে করতেই কেটে গেল। কিন্তু আমার যদি ঘুমানোর ইচ্ছা থাকে তাইলে খালি এক পাশ হইলেই হইল। ঘররর ঘররর জজজজজ।

 

আজকে তামিম ভাই এর বাসায় গেসিলাম। সেখানেও ঘুমায় গেসি। পরে আমারে ঘুম থিকা উঠায় নিয়া খাইতে বসাইসে। তামিম ভাই হইল আমার জীবন্ত টেডি বিয়ার বন্ধু। উনার আবার একটা বাবু টেডি বিয়ার টিয়ারাও আছে। উনাগো বাসায় গেলে আমার মনে হয় আমি শান্তি নিকেতন এ চিল করতে আসছি। আমি সারা শহর এ এরকম শান্তি নিকেতন ছড়ায় ছিটায় রাখসি। জিকো ভাই এর বাসা, মিশু আপু দের বাসা, উত্তরায় রাশা দের বাসা ইত্যাদি। আমার গরাগরি করার ইচ্ছা হইলে আর ফ্রি ডিনার এর চান্স এর থাকলে আমি এই সব বাসায় গিয়া পইড়া থাকি।

 

তামিম ভাই এর আম্মা আমার মাথায় হাত বুলায় দ্যায়। আমি তামিম টেডি ভাই রে জড়ায় ধরি, টিয়ারা রে জরায়া ধরি, ভাবিরে জড়ায়…না থাক, ভাবি রে ভয় পাই। আবার তামিম ভাই রে জরায় ধরি। আর আমার আরাম আরাম লাগে। একটু পরে ফায়েক আইসা  জাব্রাজাব্রি করার ট্রাই করে। আমি ওরে দেখায়া টিয়ারা রে এলিফেন্ট বানান করা শিখাই।

 

ভাবি আজকে সাদা গরুর মাংশ খাওয়াইসে। গরুর মাংশের মত রেড মিট রে উনি ক্যাম্নে সাদা বানাইল সে এক বিরাট রহস্য। আমার মুনে লয়, গরুর মাংশ পাতিলে নিয়া, চুলার উপ্রে রাইখা কড়া চোখে তাকাইসে। আর বেচারা মাংস ভয়ে সাদা হয়া গেসে। ভাবি এম্নিতে ভাল। রাগি টাইপ না। কিন্তু আমার খালি ডর লাগে।

 

খাওয়ায় দাওয়ার পরে তামিম টেডি ভাই ডেসার্ট হিসাবে দুইডা প্যারাসিটামল ও খাওয়ায় দিল। কুন এক সময় কইসিলাম, শীত শীত লাগতাসে, মনে হয় জর আইব, ওই লাইগা।

 

আমার যখন শীত শীত লাগতাসিল, তামিম টেডি ভাই এর তখন শিট শিট লাগতাসিল। কারন উনার স্টমাকের মন খারাপ। বাথ্রুমের সেই চুম্বকাকর্ষণ উপেক্ষা কইরা উনি আর ফায়েক আমারে এক্কেরে মেইন রোড পর্যন্ত আগায় দিলেন। রাতের বেলা সোডিয়াম লাইট গুলা এত ভাল্লাগে। মনে হয় খাম্বা গুলারে নিচে রাইখা মাঝ বরাবর উইড়া যাই। দুই পাশে হলুদ বাতি সাঁই সাঁই কইরা সইরা যাইব। ভাবতেই বেশ উফফ ফিলিংস হইতাসে।

 

আমরা রাস্তায় আইসা কুক টুক খাইলাম। হেরা আমারে প্রায় কোলে কইরা রাস্তা পার কইরা ধমক ধামক দিয়া সি এন জি মাঝ রাস্তায় দাড় করায়, সি এন জি তে তুইলা দিল। থাইকা যাইতে কইসিল কিন্তু শইল্ডা যুইত লাগতাসে না বইলা আয়া পরসি।

 

এত ভালবাসা কই রাখি। এক্টা ব্যাক প্যাক কিনা দরকার।

 

And nobody seems to like him

They can tell what he wants to do

And he never shows his feelings

 

But the fool on the hill

Sees the sun going down

And the eyes in his head

See the world spinning around

৩/৩৬৫

লেখার তারিখঃ মার্চ ২, ২০১৫

 

Have you ever got the feeling that you are not fitting in anywhere? The feeling that you are inside a huge clock and all around you the gears are rotating, the springs are stretching and squeezing, pendulums are going back and forth and there you are, standing awkwardly at the corner, wondering where your place is in this big fat entropy.

 

If you think positively, being a missing piece of a clock means that at least there is a clock somewhere. That clock is not functioning properly without you. And I think most of us spend our lifetime searching for that clock. Most of us look at ourselves and think where on earth this weird shaped piece will go. Strangely enough, the clock needs you more than you need the clock. Because The Clock is the summation of all the work and you are just a term in the equation. A y in the x + y = z.

 

আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, আল্লাহ এত সুন্দর কইরা দুনিয়া চালায়, এত কিছু উনারে ম্যানেজ করতে হয়, চোরের দোয়াও শুনতে হয়, পুলিশের দোয়াও শুনতে হয়, কত কমপ্লেক্স সমস্যার কত সহজ সমাধান উনি ঠিক ঠাক কইরা দেন,কিন্তু প্রেম ভালবাসার ব্যাপারে আইসা এরুম কেরফা লাগায় রাখসেন ক্যান?

 

তারপর নিজেই নিজেরে বুঝাই, ওরে নাচিজ, নাপাক, তুচ্ছাতিতুচ্ছ, নরকের উকুন, তোর পক্ষে আল্লাহর পরিকল্পনা বোঝা সম্ভব না। দি বিগ পিকচার যদি মানুষ বুঝতই তাইলে তো দুনিয়ায় এত সমস্যা থাক্তো না। তারপর মনে মনে জুরে জুরে “হয় হয়” বইলা আরো সুজা সুজা জিনিষ ভাবা শুরু করি। ইউ নো… বানানা, মিনিওন, সানি লিওন ইত্যাদি…

 

কিন্তু দা ওয়ান্ডারিং রিমেইন্স। এরম কুনু প্রেম ভালুবাসার সম্পর্ক আমি দেখি নাই যেইখানে কোন কেরফা লাগে নাই। দড়ি টা প্রথমে স্মুথ লাগ্লেও সামনে একটা না একটা গিট্টু আসেই। যাগোরে মাইন্সে হেপি কাপল কয়, দেখা যাইব এরা অনেক বড় বড় গিট্টু পার কইরা আস্তে পারসে বইলাই হেরা হেপি কাপল। হেরা হেপি কারন হেরা গিট্টু খুলতে খুলতে ওস্তাদ হয়া গেসে। হেরা গিট্টু দেখলে দড়ি কাটনের লাগার লাইগা কেচি খুজে না। গিট্টু তে হাত লাগায়।

 

এই গিট্টু খুলার ব্যাপার টা মনে হয় একা একা হয় না। ইডা তো আর লুঙ্গির গিট্টু না। যে জুরে টান দিলাম, খুইল্লা গেল, আহা হাওয়া বাতাস। এই গিট্টু খুলতে দুই জন লাগে। আর গিট্টু খুলার সময় অনেকেরই মনে থাকে না যে এই গিট্টু যাতে আর না লাগে সেইদিক খিয়াল রাইখা আগাইতে হইব। তাই তবুও গিট্টু লাগে। কারন ভালুবাসার ওপর নাম গিট্টু। প্রত্যেকবার আগেরবার এর চেয়ে বড় গিট্টু।

 

এই পর্যন্ত লিখার পর ল্যাপ্টপ এর পাশে তাকাইলাম। আমার পাওয়ার কর্ড, মাউসের তার, মোবাইলের চারজার মিল্লা ঝিল্লা বেশ একটা ত্রিভুজ প্রেমের গিট্টু রচনা কইরা ফালাইসে। নিজের ধারনা আরো জোরদার হইল। যেখানেই মাখামাখি সেখানেই গিট্টু ।

 

গত লেখায় একটা মেয়ের কথা বলসিলাম। তার ফটোগ্রাফার এর উপর ক্রাশ খাওয়ার কথা বলসিলাম। ওই মেয়েটা অনেক অনেক মাইন্ড করসে লেখা পইড়া। ফোন কইরা অনেক কান্নাকাটি করসে। মনে হয় আর জীবনেও ফোন করবে না আমারে। ব্যাপারটা ওর কাসে সরাসরি ব্যাক্তিগত আক্রমন মনে হইসে। আমাকে বিশ্বাস কইরা ক্রাশ এর ব্যাপারটা বলসিল, সিনিয়র এর ব্যাপার টা বলসিল, এখন আমি ওইটা লয়া নোট লিখালিখি করলে হিউমিলিয়েটেড তো লাগবই।

 

ওরে বুঝানির ট্রাই করসি, কিন্তু লাভ হয় নাই, ভালুবাসা তো হয় ই নাই। ওরে বুঝাইতে পারি নাই যে ইট ওয়াজ নেভার এবাউট হার। দা নোট ওয়াজ এ রিপ্রেন্টেজেশন অফ হাউ আই থিঙ্ক ইন দিস সিচুয়েশন্স। এ কনফেশন, এ টক টু মাইসেলফ। ইট ওয়াজ , ইজ এন্ড ওলয়েজ উইল বি হাও মিজারেবল আই এম রাইট নাও। মাঝখান দিয়া নিজের সম্ভাবনার ট্যাম ট্যামা নিভু নিভু মুম্বাতি নিজেই ফু দিয়া নিভায় লাইলাম।

 

থাক, এইটাও মাইনা নিলাম। হারা জীবন মাইনা নিতে নিতেই যাইব। স্যাডনেস এর বুফে খাইতে আইসি মনে হইতাসে। সেলফ সারভিস এর অপশন নাই। চেয়ার এর লগে বাইন্ধা রাখসে, উইঠা যাইতেও পারতাসি না। প্লেটের পর প্লেট আইতাসে। হরেক রকম এর স্যাডনেস।

 

There’s a rhythm in rush these days

Where the lights don’t move and the colors don’t fade

Leaves you empty with nothing but dreams

In a world gone shallow

In a world gone lean

 

Sometimes there’s things a man cannot know

Gears won’t turn and the leaves won’t grow

There’s no place to run and no gasoline

Engine won’t turn

And the train won’t leave

 

২/৩৬৫

লেখার তারিখঃ মার্চ ১, ২০১৫

 

I’ve been busy reading books for last two / three days. Not like I am reading like those bookworms and it’s not that “forgot-to-eat” kind of reading. But my overall reading time has obviously increased than before.

 

Generally I used to read when I am eating alone. Like in the office cafeteria during lunch where everyone has a lunch partner except me; or in the crowded Raj Bilash restaurent (yeah I ditched London park, their food quality has dropped) during breakfast and dinner. But I found myself reading outside those scheduled times too.

 

One of the main reasons might be, I have uninstalled both the Facebook app and the messenger app from my mobile phone. Or may be because it’s the book fair month. But my personal favorite is, it’s helping me to time travel. It’s helping me to make time go fast forward.

 

আচ্ছা এই অনুভুতিটার নাম কি, যখন কেউ কারো নামে অনেক প্রশংসা করতে থাকে সে কিছু একটা ভাল পারে বলে, আর আপনি ভাবতে থাকেন, কত আগে থেকে আপনি সেটা করেন, কই, কেউ তো এদ্দিনেও পাত্তা পুত্তা দিল না। এইটার নাম প্রথমে আমার মনে হইসিল হিংসা। কিন্তু পরে মনে হইল, নাহ। ওই লোকের মত তো আমি জীবনেও হইতে চাই না। তাইলে হিংসা করব ক্যান? তাইলে কি এইটার নাম আক্ষেপ? কিন্তু আক্ষেপ তো কিছু একটা না করতে পারার জন্য হয়। কিছু একটা করার পর তো আর সেইটা আক্ষেপ থাকে না।

 

অনেক অনেক দিন আগে, একটা মেয়ে আমাকে ছাইড়া চইলা গেসিল। যেই লোক টার জন্য চইলা গেসিল সেই লোক টা অনেক বই পড়ত। ইংরেজি বই। আমি ভাবতাম, সারা জীবন তো আম্মা খাওয়ার সময়ও বই পড়ার জন্য বকা দিল, সেইটা তো কেউ দেখলই না। আমি বলতেই পারলাম না, আমার সাথে থাকো, আমিও অনেক বই পড়সি, সত্যি, আল্লার কিরা। কিন্তু বলি নাই। থাক, ইংরাজি বই তো আর পড়ি নাই অত।

 

ইউনিভার্সিটি পড়নের সময় কেম্নে কেম্নে জানি ফার্স্ট সেমিস্টার এই ফার্স্ট হয়া গেসিলাম। সিজিপিএ ৪। পরের সেমিস্টার এ আমার কত বন্ধু। এক্কেরে আবাল বৃদ্ধা বনিতা সবাই আমার বন্ধু। দেহা যাইত পুরা ক্লাস এর আলাদা আলদা প্রোগ্রামিং এর প্রজেক্ট আমি আর তমাইল্লা মিল্লাই কইরা দিতাসি।

 

সেকেন্ড ইয়ার এ ফার্স্ট হই নাই। আর সবাই মিল্লা আমারে এক ঘরে কইরা দিল। কেউ নোট দ্যায় না, ল্যাব এর গ্রুপ এ লইতে চায় না। কারণ ক্লাসের দুইটা পোলা মাইয়া রে নিয়া আমি কইসিলাম, এগো মধ্যে কি এফেয়ার আসে? এরা এরম গায়ে হাত দিয়া ফাইজলামি করে ক্যান? আর তো লাইগা গেল আগুন।

 

হেই পোলা হেবি চিল্লা চিল্লা করল আমার লগে, পুরা ক্লাস এ ছড়ায়া দিল, আমার মন ছোট, আমি বন্ধু গো মধ্যে ঝামেলা লাগাই, আমি এই আমি সেই। আমি কিছুই কই নাই। মুটামুটি একা একা পড়ালেখা কইরা পাস করসি, রিটেক নিত যারা, আমারে চিনতো না , তাগো লগে ল্যাব গ্রুপ করসি।

 

মজার জিনিষ হইল, পাস করার করনের পর ওই পোলা আর ওই মাইয়াটা বিয়া করে আর স্বীকার করে যে, হ, অগ মদ্যে আসলে এদ্দিন এফেয়ার ই আসিল। আমি যে গরীব এইটা বার বার আমার বাসি কথা দেখায়া মনে করায় দ্যায় জীবন।

 

তখনও এই অনুভূতিডা হইসিল। সবাই ওই পোলা রে লয়া আহা উহু করত, আর আমি মনে মনে ভাবতাম, আমি কি ওই পোলারে হিংসা করি? কিন্তু এইডা তো হিংসা না।

 

থাক ওরা ভাল থাক। অদের একটা পিচ্চিও হইসে শুন্সি। পিচ্চি ও ভাল থাক। খালি বাপ মা এর মত জানি ধান্দাবাজ না হয়।

 

এই নামহীন অনুভূতি টা আবার হইতাসে ইদানিং। অনেক মায়া মায়া লাগে কিন্তু ডরে কিছু কই নাই এরম একটা মেয়ে, অনেক উৎসাহ নিয়া আমার লগে শেয়ার করতাসিল, ও যে ছেলেটার উপর ক্রাশ খায়া আসে , আর কোন দিকে তাকানোর চান্স ও নাকি নাই, সে নাকি ফটোগ্রাফি করে। মেয়েটা বলতাসিল, তার ফটোগ্রাফি মেয়েটার কত ভাল লাগে, ছেলেটা ফটোগ্রাফি করে এইটা দেইখাই নাকি ক্রাশ খায়া গেসে, ফটোগ্রাফ দেখনের লাইগা ওয়েইট করে নাই ইত্যাদি ইত্যাদি। আমি মনে মনে ভাবি , অইত্তেরি, কি ঘাস ফালাইলাম এদ্দিন। ক্যামেরা দিয়া কি কুতকুত খেলসি আমি?

 

মেয়েদের ডিফেন্স মেকানিজম অসাধারন। উনি নিশ্চিত ভাবে আমার অবস্থা বুঝতে পাইরা প্রায় প্রত্যেকদিনই বলে, “আপনি আমার ভাল বন্ধু”, “আপনি আমার কত সিনিয়ার”। ভাইয়া ডাকও সহ্য করা যায়। কিন্তু এরম সিনিয়ার-জোন্ড কইরা দিলে মনে হয়, কলিজা ভাইংগা টুরকা টুরকা কইরা মাটিতে ছড়ায় গেসে, আর ওই মেয়েটা আইসা খুইজা খুইজা প্রত্যেক্টা টুরকা পারা দিয়া দিয়া গুড়া গুড়া করতাসে।থাক গা। পেম টেম করলাম না। সিনিয়ার সিটিজেন এর আবার শখ আল্লাদ কিয়ের।

 

কিন্তু এই অনুভূতিটার আসলেই একটা নাম দেওয়া দরকার। নাইলে বার বার শুধু হিংসা নাম দিলে অচিরেই আমারে মানুষ হিংসুইট্টা বলবে। আমি হিংসুইট্যা না সত্যি। আল্লার কিরা।

 

Have you ever seen the morning

When the sun comes up the shore

And the silence makes

A beautiful sound

 

Have you ever sat there waiting

For the time to stand still

For all the world to stop

From turning around

 

And you run´Cause life is too short

And you run´Cause life is too short