২০/৩৬৫

লেখার তারিখঃ মার্চ ১৯, ২০১৫ । ১.০৩ এ.এম

 

১১ টা আলাদা আলাদা বাংলাদেশের টুকরা কালকে এক সাথে মাঠে নামতাসে আমাদের ১ টা স্বপ্ন পুরন করার জন্য। একটু যদি ভাবি, এরা বড় হইসে আলাদা আলাদা ভাবে। এদের সবার গল্পটা আলাদা। কিন্তু আবার একটা জায়গায় আইসা মিল্লাও গেসে।

 

একটা কমন ইন্টারেস্ট এ এদের এক অন্যের সাথে এক টিম হয়া কাজ করতে হইতাসে। হয়তো এদের কেউ কেউ কাউরে কাউরে মনে মনে পছন্দ করে না। কিন্তু দেশকে জিতানো যেখানে কাজ, সেইখানে এই সব কেডায় দেহে। ওদের জায়গায় নিজেরে কল্পনা করলে কেমন হাত পা ঠান্ডা হয়া আসে। আমি কত নির্লজ্জ ভাবে ব্যার্থ হইতাম আর ইনারা কত সহজাত ভাবে জিতা যায়। ভাবতেই দম আটকায় আহে।

 

এরা আমাদের মতই স্কুল এ বকা খাইসে, আম্মার আব্বার সাথে বেড়াইতে গেসে, রাস্তায় রিকশা বা সিএনজি না পায়া হতাশ হইসে। এরা বি ডি আর এর মিউটিনিও দেখসে, শাহবাগ ও দেখসে, অবরোধ ও দেখসে । ইনারাও অর্ণব এর গান শুনে, ইভা রহমান এর পচানিতে মজা পায়, কানে হেডফোন লাগায়া ইনারাও মাথা দুলায় আমরা যেম্নে দুলাই মাঝে মাঝে।

 

বাংলাদেশি হিসাবে আমরা যেই কমন দুঃখ সুখ গুলার মধ্যে দিয়া যাই এরা সবাই কিন্তু তার মধ্যে দিয়াই বড় হইসে। তারপর নিজের প্যাশন রে ধাওয়া করসে ওস্তাদ দৌড়বিদ এর মত আর সব কাছাকাছি যোগ্যতার প্লেয়ার দের পিছনে ফালায়া চান্স পাইসে জাতীয় দলে।

 

জাতীয় দল মানে বাংলাদেশের দল। যেই দল মানে সবাই বুঝবে বাংলাদেশ। কত বড় ব্যাপার এইটা। আমরা সুট পরা আর লুঙ্গি পরা এক দল ভিক্ষুক রে একসাথে কইরা বলি নাই এইটা বাংলাদেশ। আমরা অনেক ভাল খেলতে পারে এরম ১১ জন রে এক সাথে কইরা বলসি এইটা বাংলাদেশ। পারো তো হারাও এখন।

 

এরা আসমান থেইকা ঠুস কইরা পইরাই ব্যাট বল হাতে জাতীয় টিম এর জারসির বুতাম লাগাইতে লাগাইতে স্টেডিয়াম এ ঢুইকা যায় নাই। এদেরকে অন্য অনেকের মধ্যে থেইকা উইঠা আসতে হইসে। আর এই উঠাটা এখনো থাইমা যায় নাই। ইনারা প্রত্যেক্টা ধাপ এ পরীক্ষা দিয়া দিয়া উঠসেন। কাল্কেও পরীক্ষা দিতে নাম্বেন। আমি আপ্নে পরীক্ষা দিতে যাই নাই কিন্তু। আমরা টিভির সামনে বইসা ভুরি দুলামু আর পরীক্ষা দিব কিন্তু এরাই।

 

একবার এক স্কুল এর ক্লাস ওয়ান এর ভর্তি পরীক্ষা শেষ হইসে। আমি ক্যান জানি অইদিক দিয়া যাইতাসিলাম। দেখি এক পিচ্চি মেয়েরে তার বাপ বক্তে বক্তে নিতাসে। আর পিচ্চিটা খালি চুপ চাপ চোখ মুছতাসে। বাপ টা সমানে চিল্লায়ই যাইতাসে “আরে এত সুজা প্রশ্ন, আরে এত সুজা প্রশ্ন, আর তুমি পার নাই”। মুন্ডা চাইসিলো হালারে ধইরা ওহোম এর সুত্র জিগাই আর কই, আরে এত সুজা প্রশ্ন , আপ্নে পারেন্না? এডি তো ফাস্ট ইয়ার এর পুলাপাইন ও পারে।  খেলা দেখার সময় কেউ যখন বলে আরে এত মোয়া বল খেলতে পারলো না তামিম কিংবা আজিব, এইডা কি বল করসে সাকিব! আমার তখন এই গল্পটার কথা মনে হয়।

 

আমরা ইনাদের বিচার করি খুব সহজেই। ভাল খেল্লে চুমা আর খারাপ খেল্লে কথার বুমা। হয়ত অনেক ভালবাসা থেইকাই অধিকার বোধ টা আসে। কিন্তু সাইকো প্রেমিক দের মত আমরা কেউ কেউ জানি না কোথায় থামতে হবে।

 

আমার মনে হয় ইনারা এত দূর যে আইসে এইটা আমগো লাইগা অনেক। এই বার কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত আইসে, অনেক আইসে। এখন আমরা জানি কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত আসা যায়। কুনু ব্যাপার ই না। যদি আজকে জিতা যাই তাইলে খুশির সীমা থাকবো না। আর যদি হাইরা যাই, তাইলে একটা কাজই করার চিন্তা করা উচিত তখন। ইনারা কবে দেশে আসবে খোজ নেওয়া। ফ্লাইট এর টাইম টা জানার চেস্টা করা। সংবরধনা দিতে হবে যে আমাদের ১১ জন বাংলাদেশ এর টুকরা কে।

 

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট টিম এর জন্য শুভ কামনা।

১৯/৩৬৫

লেখার তারিখঃ মার্চ ১৮, ২০১৫ । ১.৩৮ এ.এম

আইজকা রাশা গো বাসায় থাক্তাসি। উত্তরা। এতখন আমরা ঝেম ঝুম করসি। আমি কি বুড বাজাইসি আর মহান রাশা গিটার বাজাইসে। মজা হইসে। ফিলিংস এর বেপার সেপার। দুই জন এরি মুন্টুন খারাপ থাক্লে বাজানি ডা অনেক জমে।

আজকে বাইর হইসি সেই কুন সক্কাল বেলা। সরাসরি আয়া পরসি প্লেন দেখতে। খালি এই জিনিষটা দেখতে মনে হয় আমার জীবনেও ক্লান্তি আসবে না। থাইমা থাকা প্লেন দেইখাই ঘন্টার পর ঘন্টা কাটায় দেওয়া যায়।

বিকাল পরযন্ত ছবি টবি তুইলা সাড়ে চাইট্টার দিকে রাশা গো বাসায় আইসা হুইতা পরসি। কারিব ভাই ও আইসিল। অরা কি কি জানি ক্লাসিক রক এর আলোকে এক্টি নিরিক্ষা ধরমি আলুচনা করসে। আর আমার জর আইতাসিল। কি জে হইসে। দুই দিন পর পর জর আহে হুদাই। আমি চাদ্দর মুরি দিয়া অগো আলাপ শুইনা দো জাহানের অশেষ গিয়ান অর্জন করসি।

সন্ধ্যা বেলা কারিব ভাই কইল উনি আমাকে চাপ দিতে ইচ্ছুক। আমি ত খুশি হয়া গেসিলাম 😉 পরে উনি কইল চাপ এর এক্টা দুকান হইসে উত্তরা তে। নাম হেশেল। আমি ত হুইনাই লঞ্জাই লঞ্জাই লাগায় দিসি। আম্রা তিঞ্জন গেসিলাম। কোপায়া চাপ খাওয়া হইসে। চাপ এর বাপ রা গিয়া এলাকায় চাপের ক্রাইসিস ফালায় দিসে পুরা।

এরপর কারিব্বাই গেসে গা। আমি আর মহান রাশা হাইটা হাইটা উত্তরা দেখসি। এক চিপায় গরুর দুধ জাল দিতে দিতে এক্কেরে ভুনা বানায়া লাইসে। হেই ভুনা দুধ এর চা খাইসি। আর রাশায় মাল্টা চা খাইসে। তারপর আবার হাতাহাতি থুক্কু হাটাহাটি।

রাশা গো বাসায় ফেরত আয়া দেহি চাপ এর এফেক্টে জর মর কই গেসে গা। শইল্লে জুশ আয়া পরসে পুরা। আম্রা সেট্রিয়ানি এর গান ছাইরা আগে এট্টু ঠান্ডা হইলাম। এর পর বাজানি শুরু কল্লাম। মজা লাগসে। অনেক দিন পর। আই শুড প্রেক্টিস মোর। কি ভুল ভাল বাজাই খালি। কিসুই পারি না। মিজাজ খারাপ লাগে। রাশা আমার দোস্ত বইলা খালি কিসু কয় না। অন্য কেউ হইলে হাসাহাসি করত।

খালি কাইল্কা অপিশ আসে দেইখা অখন ঘুমাইতে আইসি। নাইলে আম্রা হারা রাইত ই বাজনা বাজাইতাম। রাশা আমারে অগো এছি অলা ঘেস্ট রুমে রাইখা কাইটা পরসে। কিন্তু আমি এক্টা মুসিবত এ পরসি।

মুসিবত টা হইল হেবি ডর লাগতাছে। ডর এ ঘুমাইতে পারতাসি না। যেই রুম এ আমারে থাক্তে দিসে হেই রুম এর কুনা কাঞ্চি ভরতি খালি সফট টয়। মাথার কাসে এক্টা বড় টেডি বিয়ার, পায়ের কাসে এক্টা বান্দর না কিয়ের জানি সফট ডল। এরুম ছোট খাট পুতুল দিয়া ভরপুর।

আমার এডি অনেক ডর লাগে। ছোট বেলায় এক্টা হিন্দি ভুতের সিনেমা দেখসিলাম। এক পিচ্চির রুম এর পুতুল হটাত জেতা হয়া পিচ্চির গলা টিপ্পা ধরে। আর ইংলিশ সিনামা “চাইল্ডস প্লে” তো আসেই। এরপর থিকা সব পুতুল রে ডর লাগে। মইম্যার পুতুল ফালায় দিতাম জানালা দিয়া। আর মইম্যা অযোউক্তিক মহিলা, আমার সাথে হুদাই কেও মেও করত।
আপাতত সব সফট টয় রে কোন না কোন ভাবে ঢাইকা দিয়া আসছি। খেতা, বালিশ, পরদা, আমার পেন্ট ইত্যাদি দিয়া যেইটারে যেম্নে পারসি ঢাকা দিসি। তয় দেয়ালের ছবি গুলারেও এখন ভয় লাগতাসে।

সকালে উইঠা তো আমি যামুগা এরা ঘুমেত্তে উঠার আগেই। এরা জীবনেও এক রাতে দেয়াল এর সব ফ্যামিলি ফটো ক্যান উল্টায় গেল সেই রহস্য উদঘাটন করতে পারবেনা। এই উপলক্ষে কবি বলেছেন,

“মু হা হা”

১৮/৩৬৫

লেখার তারিখঃ মার্চ ১৭, ২০১৫ । ২.৫২ এ.এম

আজকে অফিস এর পরে বারডেম গেসিলাম। এইডা আসল বারডেম না। নকল ডা। সেগুন বাগিচার চিপার বিত্রেরডা। দুই লম্বর বারডেম। এইডা আমি কই নাই। হেরা নিজেরাই নিজেগো দুই লম্বর কইসে। বাইরে লেখা আসে মা ও শিশু , বারডেম – ২।

 

গেসিলাম মিশু আপু রে দেখতে। উনার বাংলাদেশ পুলিশ (বি পি) হাই। এখন অবস্থা ভাল। বাংলাদেশ পুলিশ কমতাছে। আর দুই একদিন পর রিলিজ দিয়া দিব।

 

মিশু আপু রে যেইখানে রাখসে হেইডা হাসপাতালের অন্দর মহল টাইপ এর জায়গা। পর পুরুষের প্রবেশ নিষেধ। তাই রুগি দেখতে গিয়া বেশির ভাগ টাইম আমি জিকো ভাই রে দেইখাই আয়া পরসি। আমরা এতিম এর মত কিছুখন এই হানে কিছুখন ওই হানে বয়া থাইকা আড্ডা উড্ডা মাইরা আয়া পরসি।

 

বইতে গিয়াও দেহি আরেক পবলেম। লুকজন বেশি নাই। হাস্পাতাল্ডা খুবি ঠান্ডা মারকা হইলেও বিত্রে গরম অনেক। আর ফ্যান ও বন্ধ কইরা রাখসে অনেক জায়গায়। তাই আমরা যেইখানে ফ্যান ছাড়া পাইসি ওইহানেই গিয়া চ্যাগায়া বয়া পরসি। এট্টু পরে ওই জায়গার ফ্যান কেডায় যানি অফ কইরা দিসে, আবার ফ্যান এর সন্ধান এ বাইর হইসি। জিকো ভাই এর এতো ফ্যান। দুই একটা রে আইন্না সিলিং এ ঝুলায় দিলেও কাম হইত।

 

ফ্যান খুইজা বহন ডাও আরেক প্যারা আসিল। আমরা খুজতে খুজতে এক জায়গায় আয়া এট্টু আরাম কইরা বইসি, এট্টু পরে দেহি এক আন্টি আয়া খুবি ভুরু মুরু কুচকায়া লুক দিতাসে। আমরা তো বুঝি না উনি এরুম করতাসে ক্যান। ফাস্ট এ তো পাত্তাই দেই নাই। হুর, আন্টি লুক দিলে আম্রার কি। ইট্টু পরে আশে পাশে তাকাইতে গিয়া দেহি যেহানে বইসি তার পিছনে লেখা “ব্রেস্ট ফিডিং করনার”। কাম সারসে। তারাতারি উইঠা আবার ফ্যান খুজতে বাইর হইসি।

 

আল্লায় বাচাইসে। নাইলে  এই করনারে বইসি বইলা বাধ্যতা মুলক ব্রেস্ট ফিডিং করাইতে হইলে খবর আসিল।

১৭/৩৬৫

লেখার তারিখঃ মার্চ ১৬, ২০১৫ । ১২.২৪ এ.এম

Am I really living for “now” ? This spectacular “Now”?  I mean this is not how people in general are like right? Having no plans for future at all? This is crazy. But it feels so right. I see people who have aligned themselves so well with this funny thing called Life that sometimes I wonder why am I not like them? They prosper in career, they produce children, they save for retirement, they attend family occasions, they apply for PR in Australia or Canada and they say prayers. They are living this life and also saving for that afterlife. How clever is that? They are awesome.

 

I can only pretend to be like them but not for so long. Sooner or later they will find out that I am not one of them. This is not normal, I am not normal. I can’t think ahead, I just can’t. I only can assess “Now” and act upon it. The future is scary. If I think of it, it will never be like what I think of it and my heat will break eventually. So I only focus on the Now. Amazingly there is always a new “Now” tomorrow and I have to wait in my folded wings for it to come to me. Which inspires me to live for another “Now” and then another and then another until this “Now” kicks me so hard right in the balls.

 

রাশা বলসে আমার লেখা দিন দিন ডিপ হইতাসে। এত ডিপ হইতাসে যে ওর আর পড়তে ইচ্ছা করে না। বেশি আধ্যাত্মিক হয়া যাইতাসে। কি করতাম দোস্ত। লেবু চিপ্লে রশ বাইর হইব আর চম চম চিপ্লে শিরা। আমার মত করল্লা ধইরা চিপা চিপি করলে হেলদি তিতা জুশ ছাড়া আর তো কিছু বাইর হইব না।

 

আমি ভাবতাসি আমার বাসা টারে একটা মেক ওভার দিমু। দুই কারটন বই বাইর ই করা হয় নাই এখনো, অগুলার জন্য একটা বুকশেলফ কিনতে হইব। আর একটা অনেক আরাম দায়ক কাউচ টাইপ এর কিছু যেইটাতে হুইতা, বইসা, চেগায়া, কাইত হয়া, চিত হয়া বই পড়ন যায়। লগে একটা টেবিল ল্যাম্প। টু সেট দা মুড।

 

আমার একটা বড় টিভি আসে। এইটার লগে একটা এক্স বক্স লাগামু তইলে বেশ খেলা ধুলা করন যাইব। আমার বেশ কয়েকটা সাদা দেয়াল আসে বাসায়। ওগুলায় বড় বড় কইরা গ্রাফিতি পেইন্টিং আকুম। বাড়ীওয়ালা কি ভাব্বো পরে দেখা যাইব।

 

রান্না ঘর এর জন্য চুলা কিনতে হইব। যাতে রান্না বান্না কইরা সব উল্টায়া লাইতারি। আমি সবার বাসায় খালি ফ্রি ফ্রি খাইতে চইলা যাই। তখন সবাইরে দাওয়াত দিয়া খাওয়াইতেও পারুম। একটা ফ্রিজ পামু মইম্মার কাছ থেইকা এই এপ্রিল এ । ভাবতাসি এসি লাগামু কিনা। বড় স্পিকার কিনতে হইব ভালা দেইখা , বেজ ওয়ালা। টিভিতে সিনেমা দেখুম কোপায়া।

 

ল্যাপ্টপ দিয়া জুইত মত ফটো এডিটিং করতে পারতাছি না। ডেস্কটপ এর যুগ তো আবার ফেরত আস্তাসে। একটা হাই কনফিগ এর ডেস্কটপ কিনুম আর একটা ভালা দেইখা মনিটর। টিভির লগেও লাগায় দিতারি। ঠিক করি নাই অখনো। ব্রডব্যান্ড কানেকশন লইতে হইব, হারাদিন যাতে ডাউনলোড চলে ।

 

কার্পেট কিনতে হইব, ঘর মুস্তে আর ভাল্লাগে না। অনেক অনেক বালিশ কিনতে হইব। যাতে বালিশ দিয়া দুর্গ বানাইতে পারি। এল ই ডি স্ট্রাইপ নাইলে মরিচা বাতি কিনুম কিছু। মজা লাগে অন্ধকার ঘরে। ফ্রিজ ভর্তি কইরা খাবার রাইখা দিমু। ওভেন লাগবো একটা। আম্মা যেডি রান্না কইরা দিব ওইডি তো গরম কইরা খাইতে হইব।

 

সব কিছুর পর একটা গাড়ি কিনুম। একটা ডারক এশ কালার এর টোয়োটা আই এস টি। তারপর ডাহা শহর ঘুইরা বেরামু।

 

যাক, এখন নিজেকে বেশ সময়োপুযোগি মনে হইতাসে। কত প্ল্যান কইরা ফালাইসি।

১৬/৩৬৫

লেখার এর তারিখঃ মার্চ ১৫, ২০১৫। ১২ঃ৫০ এ.এম

One thing I’ve discovered recently that Life wants us to die. Whenever it can, it drives us towards it. When you are happy it reminds you that what goes around, comes around so don’t be “that” happy. And when you are sad, it makes you think that if you die, every little problem that you have, will be solved. Like death is the ultimate answer and life is a really big question. It’s as ironical as it sounds, but life teaches us, no matter how you try, how much you are loved, death will come to you. All the good things, the salvation, the rewards are promised after death if you live a good life.

 

I don’t really understand this approach of life but I don’t understand a lot of stuff either, so it’s not a biggy. I’ve never been suicidal in my life. May be I am not that brave enough or that adventurous enough to feel the power of finishing my own life whenever I want. I’ve always thought, what’s the point of proving a point if I am not there when it is proved. It would be like winning a Life Time Achievement Award after your death. What good is it to get an award after death? Your grave will look shiny with it?

 

I am a religious person and I do believe in life after death and Zannat and rewards and stuff. But I believe in the before life as much as I believe in the afterlife. So I don’t see any point being dead just because life fucked you so hard. I mean, whom it has not? It seems like a romantic thought that you will be dead soon and may be people will love you more if you make them think you are going to be dead soon. But for me, it means you are choosing the easy way out. You are giving the fort without a fight.

 

Don’t give up the fort without a fight. It’s your timeline and don’t disable it for some ancient stupid reason that has happened and will happen through the history of mankind. People have dealt with it for ages and you will too. Heads up, you are a tiger (or a tigress, or a hippopotamus may be… ah whatever… you got my point right?)

 

জীবনে প্রায়োরিটি বুঝাটা খুব জরুরী। কার আগে কে, কোনটার পর কি। আমরা যত বড় হই, তত এইটা ভাল মত বুঝতে শিখি। জেনারেশন গ্যাপ আসলে প্রায়োরিটি বোঝার পার্থক্য ছাড়া আর কিছু না। আমরা বড় হই, সময় যায়, আর প্রায়োরিটি চেঞ্জ হয়। এই ব্যাপারগুলা আমাদের কেউ বুঝায় না। তাই প্রতিটা প্রায়োরিট দেয়ার সাথে সাথে আমাদের মনে অনেক গুলা অপরাধ বোধ জমা হয়। আমরা দুর্বল হই। আমাদের অফিসের জন্য দাওয়াত মিস করতে কষ্ট লাগে, দাওয়াত এর জন্য খেলা মিস করতে কষ্ট লাগে আবার খেলার জন্য অফিসে না গেলেও কষ্ট লাগে। এম্নে চক্র চলতেই থাকে। প্রায়োরিটির আবার একটা অদৃশ্য মান দন্ড থাকে। যেইটা পুরন করতে না পারলে অনেক ঝামেলা হয়, অনেকে রাগ করে, চইলা যায়, আমার চেয়ে ওমুক তোমার কাছে বেশি হইল টাইপ কথা শুনতে হয়। আমরা বুঝি না সমস্যা টা কই। সমস্যাটা সিদ্ধান্তে। প্রায়োরিটির সিন্ধান্তে।

 

আমি আজকে দুইটা সিনেমা দেখসি। দুইটাই অসাধারন সিনেমা। Barefoot আর Begin Again. প্রথমটা ইজ লাইক সব ছেলেদের ফেন্টাসি কাম ট্রু। সুন্দরি এবং মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত “ভার্জিন” মেয়ে মানসিক হাসপাতাল থেইকা পালায় নায়ক কে নিরাপদ আশ্রয় ভাইবা। আই মিন , কাম ওন। আমি কত দিন এমন স্বপ্ন দেইখা উঠসি সকাল বেলা আর স্বপ্নের মেয়েটার জন্য সারাদিন একটা খালি খালি অনুভূতি নিয়া ঘুইরা বেরাইসি। হিন্দিতে সঞ্জয় দত্ত আর পুজা ভাট এর “Sadak”, কমল হাসান আর শ্রীদেবীর “Sadma” আর এই Barefoot. একি রকম থিম লাগসে আমার কাসে। তাই বইলা কম ভাল লাগে নাই।

 

Begin Again আরেকটা অনেক জোস সিনেমা। আর গান গুলা… আহা। ইদানিং মিউজিক নিয়া সিনেমা অনেক বেশি দেখা হইসে। Rockstar (Hindi), Whiplash, If I stay, Begin Again সব ই মিউজিক আর মিউজিশিয়ান দের নিয়া সিনেমা। আমাদের দেশেও এইরকম কত হাজার হাজার ঘটনা হইতাসে কিন্তু আমরা সিনেমা বানাইতে গেলে এরম পেচায়া ফালাই কেন সব কিছু? নাটক আর টেলিফ্লিম হয়তো কিছুটা করতে পারতাসি আমরা কিন্তু সিনেমা কই?

 

এইরকম একটা সিনেমা করতে গেলে একজন অভিনেতার আসলেই ইন্সট্রুমেন্ট টা বাজাইতে শিখা লাগবে , ওই জন্যই কি আমরা পারতাসি না? আমাদের অত সময় কই? দা লাস্ট থিং আই ওয়ান্ট টু সি ইন এ মিউজিক রিলেটেড সিনেমা ইজ দ্যাট খাকিব শান অথবা জনন্ত অলীল একটা ফেন্ডার এর গায়ে এক হাতে ঘুশি মাইরা রিদম বাজাইতাসে আর আরেক হাতে সব গুলা তার মুঠা কইরা ধইরা আসে লাইক দে আর ওর কোরবানির গরুর মাথার চুল।

 

উইকেন্ড শেষ হয়া গেল আর আমি পুরা উইকেন্ড আক্ষরিক ভাবে বাসাবো বাসার ঘরের কোনায় কাটায় দিসি। খালি খাওয়ার টাইম এ উইঠা গিয়া খায়া আসছি। মিহি ওহি আমারে কার্পেট বানায়া লাফালাফি করসি। আমি চোখ বন্ধ কইরা ছোট ছোট পা গুলারে দেখসি।

 

একটা অনেক বড় কাজ কইরা ফালাইসি এই দুই দিন এ। মিহি তো বড়। ওর একটু বুদ্ধি বেশি। ওকে আমি ওর খেলনা পিয়ানো তে নোটস শিখাইসি। বলসি এই দুইটা কালো কি এর বাম পাশের টা “সি”। তার পরের টা “ডি”। এই রকম। বেশি শিখাই নাই। সি থেকে এফ পর্যন্ত । ও এখন বললে খুজে বের করতে পারে নোট। তারপর আমি মুঝে মুখে বলসি আর ও খুজে খুজে বের করসে। লাইক , “মামা সব গুলা সি বের কর তো?” “মামা ডি কোনটা?” আর এমেজিংলি শি ফাউন্ড দেম আর ও অনেক খুশি হইসে বাইর করতে পাইরা।

 

আহা ওর প্রথম পিয়ানো লেসন , আর আমি দিসি। বিশাল গর্ব লাগতাসে।

 

সবকিছু এসে থেমে যায়

বসে থাকি ভুল জীবনে

সৃতির ভেতর পুরনো সত্তা

এখন এখানে শুধুই শুন্য।

তোমার চোখের গভীরে

আমার দৃষ্টি ফেরানো

আজ আমি পারি ইচ্ছে মত

মানুষ হতে

[আইকন্স এর জন্য লেখা গান, “স্পর্শ”, ২০০৬]

১৫/৩৬৫

লেখার তারিখঃ মার্চ ১৪, ২০১৫

 

“Out beyond ideas of wrongdoing

and rightdoing there is a field.

I’ll meet you there.

When the soul lies down in that grass

the world is too full to talk about.”

 

— Rumi

 

Somewhere over the rainbow way up high

There’s a land that I heard of once in a lullaby

Somewhere over the rainbow skies are blue

And the dreams that you dare to dream really do come true

 

— Cole Porter, Harold Arlen, E. Harburg

 

If all these poets are not trying to sell luxury real estate, then there has to be some place beyond this miserable life where everyone is happy. Pardon me, but I don’t want to live where everyone is happy. Because that will be, another replica of this very world.

 

আজকে আমি হিন্দি সিনেমা “রকস্টার” দেখসি। অনেক ফিল্মি অনেক ড্রামা এজ ইউজুয়াল। যদিও আমরা কখনোই রকস্টার টাইপ এর নেম এন্ড ফেম এর মধ্যে দিয়া যাই নাই। কিন্তু ছোট্ট এই জীবনে যতটুকুর স্বাদ পাইসি, তা চিন্তা কইরাই বাকি জীবন কাটায় দেওয়া যায়।

 

রিজুর সাথে আমার পরিচয় হয় ১৯৯৯ সালে। নটরডেম কলেজ এ। রিজু ছিল পিয়াস এর ক্লাসে। পিয়াস আর আমি এস এস এসির পর কিছুদিন গিটার শিখসিলাম শুইনা ও আগ্রহ নিয়া কথা বলতে আসে। তারপর বাইর হয় ও আরো ওস্তাদ গিটার বাজায়। শুরু হয় নটর ড্যাম এর বকুল তলায় সময় পাইলেই গিটার নিয়া বইসা পড়া। খাতায় কর্ড লিখা নিয়া আসা আর বাসায় আইসা ওগুলা বাজানোর চেস্টা কইরা গুজ বাম্প হওয়া। আমরা একটা ব্যান্ড ও বানাইসিলাম তখন। নাম X’s । X দের ব্যান্ড। তখন X men বইলা কিছু চিনতাম না আমরা। নাইলে হয়তো ওই নাম ই দিতাম। গান ও যে লেখা যায় আর সেইটাতে সুর দিলে বেশ একটা উত্তেজনা হয় সেইটা মাত্র শিখসি তখন। কবিতা লিখতাম তো আগেই। তাই কবির হঠাত ইচ্ছা হইল এইবার কবিতায় সুর বসুক।

 

X’s প্রথম শো করে নিলখেত এর আই,সি,এম,এ অডিটোরিয়াম এ। তাও সেই শো নিয়া কত কাহিনী। রিজুর সাথে গ্যাঞ্জাম অনেক পোলাপান এর। শো এর পর ওরা তারে পিডাইব আগেই থ্রেট দিয়া রাখসে। আমরা কি এডি ডরাই তখন? আমরা তখন নিজেই নিজেরে ভাইবা নেওয়া রকস্টার ।

 

আমি জীবনে প্রথম রেকর্ডিং স্টুডিও দেখি এইচ এস এসি পরীক্ষার পর পর। ২০০১ সালে। তখন এরকম ঘরে ঘরে স্টুডিও করার মত প্রযুক্তি আসে নাই বাংলাদেশ এ। আমাদের কারোর ই দামী কম্পিউটার, সাউন্ড কার্ড ছিল না। তাই গান রেকর্ড করতে হইলে রেকর্ডিং স্টুডিও ছাড়া গতি নাই। রেকর্ডিং হইতো টেপ এ। ডিজিটাল তখনো আসে নাই। সব ই ম্যানুয়াল কনসোল স্টুডিও।

 

সবাই তখন বুয়েট, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিয়া ব্যাস্ত। আমি আর রিজু ব্যাস্ত গান বানাইতে। একটা ফোক গান লিখসিলাম, “তোমায় দেখিয়া”। X’s এর শো গুলাতে চরম হিট ওই গান। আমরা গাওয়া শুরু করলে ওডিয়েন্স সাথে সাথে গায়। ততদিন এ আমি আই,ইউ,টি তে শো করসি, টি, এস, সি তে শো করসি। লালমাটিয়া তে শো করসি। বাসায় কিছু জানে না। ফেসবুক নাই, তাই ফ্রেন্ড রাও কিছু জানে না।

 

রিজু বল্ল চল “তোমায় দেখিয়া” টা রেকর্ডিং কইরা ফালাই। আমি ভাব্লাম কেসেট প্লেয়ার এর লাল বাটন এ টিপ মাইরা রেকর্ড করবে। স্টুডিও তে ঢুকার পর বুঝলাম, আমি কত বেকুব।

 

আমরা গেসিলাম মগবাজার এর মিউজিক ম্যান স্টুডিও তে। মাত্র কলেজ পাশ দিসি। নাকের নিচে হাল্কা হাল্কা মুস উঠসে। কিন্তু তাতেও কেউ তখনও গোনার মধ্যে ধরার মত কিছু মনে করে না। দলছুট মাত্র তাদের “হৃদয়পুর” এল্বাম রিলিজ করসে। বাপ্পা আর সঞ্জিব্দা ব্যাপক হিট। আর আমরাও তখন ফোক ছাড়া মিউজিক ইন্ড্রাস্টির গতি নাই এই মন্ত্রে বিশ্বাস করা শুরু করসি।

 

স্টুডিও তে ঢুইকা দেখি বাপ্পা দা বইসা আসে। আমাদের দেইখা চারু ভাই (ত্রি রত্নের খ্যাপা) বল্ল, কি চাই? রিজু বলল, ভাইয়া আমি ফোন করেছিলাম। অমুক এর রেফারেন্স এ আসছিলাম। চারু ভাই বলল, ও আচ্ছা আচ্ছা। বাপ্পা দা এরা একটা গান করতে চায়। জীবনের প্রথম রেকর্ডিং।

 

বাপ্পা দা বলল, বাহ, বেশ বেশ, শোনাও তো। রিজু একস্টিক গিটার টা ভয়ে ভয়ে কোলে নিয়া প্রথম ভারস টা গাইল। বাপ্পা দা কোরাসের সময় থামায় দিয়া বলল, ভাল, চর্চা করতে থাকো। আমার দিকে তাকায় বলল, তুমি কি বাজাও? আমি নারভাস হয়া সাদা হয়া গেলাম আর কোন মতে বললাম, না দাদা, মানে দাদা, আমি লিখি, এই গান্টা আমার লেখা। বাপ্পা দা নির্লিপ্ত চেহারাতেই বলল, চমৎকার লিরিক্স। আরো দুটো অন্তরা লাগবে। লিখে ফেলো। আমি থান্ডারস্ট্রাক হয়া বইসা থাকলাম।

 

বাপ্পা দা চইলা যাওয়ার পর চারুদার সাথে আলোচনা অনেকটাই মিউজিক রিলেটেড হয়া গেল। ড্রামস টেক, স্যামপ্লিং, ট্র্যাক বানানো এই সব নিয়া আলোচনা হইল। উনার পুরাই আকাশ থেইকা পড়ার অবস্থা যখন শুনলো যে আমাদের কোন ড্রামার নাই, কি বোরডিস্ট নাই ইভেন ইলেক্ট্রিক গিটারও নাই। আর আমরা একটা একোস্টিক গিটার নিয়া গান রেকর্ডিং করতে আইসা পড়সি।

 

আমি ভাবসিলাম ঘার  ধাক্কা দিয়া বাইর কইরা দিবে। কিন্তু না। উনি আমাদের স্টুডিও সেশন আর্টিস্ট যোগার কইরা দিলেন, ড্রামার, কি বোরডিস্ট সবই যোগার হইল। গিটার আর ভোকাল রিজু কাভার করবে। আমি কিছু বাজাবো না। স্টুডিও রেকর্ডিং তো ফাইজলামি না, ভুল ভাল বাজাই যদি? তাই আমি অফ গেলাম।

 

কথা হইল, ড্রামার ট্র্যাক তৈরি কইরা রাখবে, আমরা কালকে আইসা গিটার আর ভোকাল টেক দিয়া যাব। কি বোরডিস্ট পরে পুরাটা বুইঝা, বাজায় দিয়া মিক্সিং মাস্টারিং কইরা দিবে।

 

পরের দিন আবার দৌড় দৌড় স্টুডিও তে। কিন্তু ড্রামার যেই ট্র্যাক বানাইসে তাতে আক্কেল গুরুম অবস্থা। মনে হইতাসে এখনি ডলি সায়ন্তনি গান গাওয়া শুরু করবে। কাসার ঠাস ঠাস, ডিজিটাল ড্রামস এর কাঠ কাঠ আওয়াজ। পুরাই ডিজেস্টার অবস্থা। রিজু দেখি এইটাতেই রাজি হয়া যাচ্ছিল। জীবনে প্রথম বারের মত আমি সাহস কইরা বললাম, দোস্ত, আমরা যে রকম চাইতাসি এইটা সেই রকম না। এরকম আগলি পপ ড্রামস এ তুই গান ডা করিস না। রিজু সাথে সাথে মাইনা নিল। ও নিজেও আসলে বুঝসিল এইটা, কিন্তু ড্রামার আবার কি মনে করে তাই কিছু বলে নাই।

 

আমরা আধা ঘন্টা ধইরা ড্রামার রে বুঝাইলাম যে আমরা গান্টা তে একটা একোস্টিক ড্রামস এর ফিল চাচ্ছি। এই রকম ডিজিটাল ডিষ্টিং ডিষ্টিং না। ড্রামার খুবি প্রফেশনাল ছিল। সে ঘন্টা দুই এর মধ্যে চরম একটা ড্রামস ট্র্যাক বানাইলো যেইটা শুনলে আসলেই বুঝার উপায় নাই যে এইটা একোস্টিক ড্রামস না। কি বোরড বাজাইসিল তখনকার চাইমস ব্যান্ড এর কি বোরডিস্ট (উনার নাম ভুইলা গেসি) । সন্ধায় আমাদের রেকর্ডিং শুরু হইসিল আর শেষ হইসিল রাত ৩ টায়। তৈরি হইল, “তোমায় দেখিয়া”। এই গান টা আমরা কোন এল্বাম এ দেই নাই। এইটা ছিল পুরাপুরি ই নিজেদের শোনার জন্য নিজেদের গান।

 

 

বাসায় অনেক ভুং ভাং হাবিজাবি বইলা বাইরে থাকার পারমিশন যোগার কইরা, ভর্তি পরীক্ষার টেনশন বাদ্দিয়া, রেকর্ডিং কইরা রাত ৩ টায় আমরা যখন মগবাজার থেইকা রিজুদের গ্রিন রোড এর বাসায় ফিরতাসিলাম তখন মনে হইতাসিল, কেউ জানবেনা কিন্তু আমরা আজকে নিজেদের থেকেও বড় কিছু একটা কইরা ফালাইসি।

 

এই ফিলিংস টা এরপর আরও অনেক বার আসছে। আইকন্স এর এল্বাম রেকর্ডিং জীবন পাল্টায়া দেওয়ার মত একটা ঘটনা ছিল। কিন্তু সেই গল্প আরেকদিন ।

১৪/৩৬৫

লেখার তারিখঃ মার্চ ১৩, ২০১৫

Waking up at 4 am in the morning.and trying to write something meaningful is probably not what humans are designed for. Like now, all I can feel is regret. Regret of falling asleep way early than the usual time. Regret of missing all those whatsapp messages. May be life would be the same without me falling asleep early on a night before weekend, but may be the night wouldn’t be, “If I stay”, If only I would stay awake.

In some previous episodes of this mega serial called life, I’ve seen myself not sleeping at all because tomorrow is Friday. Strangely enough, my mind used to get hyperactive after 3 am. Every status update I see after 3 am on facebook, I feel like I have something to say about it. Be it a relationship issue or a political one, I felt like contributing my pointless wisdom to it.

জীবন দেখতে মজা। একটা পর্যায় গিয়া দুঃখ গুলা এতই অবশ্যি প্রাপ্য মনে হয় যে তখন উল্টা হাসি হাসে। মনে হয়, হালার লাইফ…. আবারো? আমার আর শিক্ষা হইল না, হি হি। এই হি,হি ব্যাপারটা আসা খুব জরুরী। নাইলে তখন মানুষ মনে করে জীবন মনে হয় এইখানেই শেষ, আর কত। কিন্তু জীবন তো এত সহজে শেষ হউনের মত জিনিষ না।

আমি আজকে বাসাবো আসছি। তিন সপ্তাহ পর। আসার পরপরি ভাগ্নিগুলা এটাক করসে। এক্টা পেটের উপর আরেক্টা কোলের উপর উইঠা বসছে। দুইটাই একসাথে সব রিসেন্ট এক্সাইটেড ঘটনার বিস্তারিত বর্ননা দেওয়া শুরু করসে।

: পেক পেক মামা, জানো, আমি মার ভার্সিটি তে গিয়েছিলাম
: তাই? কি শিখেছো ওখানে?
: লাইন কারেন্ট আর ফেজ কারেন্ট
: অরে আল্লাহ.. জোসস

: পেক পেক মামা, দেখো আমি রং করেছি
: খুব সুন্দর হইসে মামা। সবুজ রং এর বাঘটা ত হেব্বি হইসে
: হুউউউ, ও ভেজিটেবল খায় তাই সবুজ।

: পেক পেক মামা, আমি প্রজাপতি দেখেছি। প্রজাপতি মধু খায়। আমি রুটি দিয়ে মধু খাই
: তুমিও তো তাহলে এক্টা প্রজাপতি
: (চোখ বড় বড়) আমি প্রজাপতি? আমার এরকম এরকম পাখা হবে?
: হবে তো মামা। সুন্দর দুইটা কালার পাখা হবে। আসো তোমাকে প্রজাপতি আঁকা শিখায় দেই।
: মা, আমার কি কালার এর পাখা হবে?

আমি অগো লগে কথা কইতে কইতে চিন্তা করতাসিলাম, আমরা এতো আর্টলেস হয়া বড় হইসি যে এখন কেমন খাপছাড়া লাগে নিজেরে। কত কিছু জানিনা, কত গান শুনি নাই, কত বই পড়ি নাই, কত সিনেমা দেখি নাই, কত পেইন্টিং দেইখা হা কইরা তাকায় থাকি নাই। এই সব চিন্তা করতে এক্টা আইডিয়া আসছে মাথায়।

একটা স্টাডি সারকেল করব। বেশি না ৫ জন এর। সারকেল এর একজন সারকেল মডারেটর, ৪ জন সারকেল মেম্বার। মডারেটর এর কাজ হবে ৪ জন এর জন্য ৪ টা স্টাডি এসাইন্মেন্ট দেওয়া আর ফলো আপ করা। তার আর কোন কাজ নাই। এইবার আসি এসাইন্মেন্ট গুলা কেমন হবে।

প্রথমে মডারেটর এই সপ্তাহের জন্য থিম ঠিক করবে। ধরা যাক এই সপ্তাহের থিম ফটোগ্রাফি। মডারেটর ৪ জন কে ৪ টা বিখ্যাত ফটোগ্রাফার এর নাম বইলা বলবে, এদের ব্যাপারে নেক্সট সপ্তাহে ৫ মিনিট এর এক্টা স্পিচ দিতে হবে।

এক সপ্তাহ পর সবাই যখন সবার স্পিচ শেয়ার করবে, তখন বাকিদেরও ওই ফটোগ্রাফার নিয়া আইডিয়া হয়া যাবে। এই প্রত্যেক সপ্তাহে বসার ব্যাপারটা অনলাইনে করা যাবে না। অফলাইন এ মুখোমুখি করতে হবে। তাইলে প্রেজেন্টেশন স্কিল ও বাড়বে সবার।

সাপ্তাহিক থিম গুলা অনেক এক্সাইটিং হবে। বই, সিনেমা, পেইন্টিং, এভিয়েশন, ফ্যাশন, এডুকেশন, পলিটিক্স যা ইচ্ছা তাই হইতে পারে। কিন্তু উদ্দ্যেশ্য একটাই। নিজে এমন ভাবে জানতে হবে যাতে অন্যরে গল্পটা বলতে পারি।

প্রতি তিন মাস পর আমি সারকেল মেম্বার দের অন্য সারকেল এর মডারেটর বানায় দিব। কারন তারা ততদিন এ বুইঝা যাবে কি করতে হবে।

আপ্নি যদি ইন্টারেস্টেড হন তাইলে এই খানে কমেন্ট এ নাম লেখান। আমরা প্রত্যেক শুক্র আর শনিবার বসবো। টাইম ঠিক করা হবে পরে।

চলেন শুরু করি। মজা হবে।

১৩/৩৬৫

লেখার তারিখঃ মার্চ ১২, ২০১৫

We all make choices in our life. And sometimes our choices make us. Like when we are kids, our parents make those choices for us. Which clothes to wear, which people to be friend with, which books to read. After that when we are given the autonomy to choose on our own, we barely could get out of that practice they have driven us through. For some categories, yes, our choices overrule our parents’. Like taste of music or kind of people we let into our lives. But the basics stay the same. You can not choose anything out of that boundary. You just can’t. Even if you get rebellious and decide to go against the flow, it will always itch inside you as long as it can.

 

I’ve always believed that you are what you decide to be. It’s the output of the voice inside your head that you’ve “decided” to show us. You don’t always say all that your voice is saying inside right? So you, to us, are what you decided to show us.

 

That’s why I don’t ever judge a person by what that person have said. It’s what that was not said is my concern. When a person does something, of course we can hold him/her liable for his/her action but what we often forget that there is more to it that meets the eye. Just follow one rule and you are the best company anyone ever could have. It’s a difficult one but not impossible, “DON’T GIVE UP EASILY ON THE OTHER PERSON”.  Yes, sometimes you have to, but give it as much chance as possible before shutting it down.

 

আমি একটা নতুন রাইটার এর বই পড়া শুরু করসি। উনার নাম Colleen Hoover আর উনার যেই বইটা পড়তাসি তার নাম Ugly Love. যদিও এখনো আগলি ব্যাপার টা আসে নাই। ভালবাসা উপচায়া পইড়া আমার মোবাইল ভাইসা যাইতাসে আর আমিও কোন মতে মোবাইল ধইরা ভাইসা আসি।

 

বই এর কাহিনী হইল, একটা মেয়ে মেডিকেল স্কুল এর পড়ার জন্য বড় শহরে আসে। থাকার জায়গা না থাকায় মেয়েটা তার ভাই এর সাথে থাকা শুরু করে কিছুদিন এর জন্য। ভাই এর বন্ধুর সাথে তার কিছু একটা হওয়ার সম্ভাবনা বোঝা যাইতাসে। আমি এদ্দুর ই পড়সি। তাই এরপর কি হয় জানি না।

 

যদিও গল্পটা আগাইতাসে এক চ্যাপ্টার মেয়েটার কাহিনী আর এক চ্যাপ্টার ছেলেটার পাঁচ বছর আগের কাহিনী কয়া, যখন তার আরেকটা মেয়ের সাথে বিরাট প্রেম ছিল। দা বেস্ট থিং সো ফার এবাউট দিস বুক ইজ দ্যাট, মেয়েটার ভাই, মেয়েটার ভাই এর বন্ধু, মেয়েটার সাথে ফ্লারট করার ট্রাই করা লুইচ্চা ব্যাডা, মেয়েটার বাবা, সবাই পাইলট । ই ই ই পাইলট ই ই ই।

 

আমি এমন ই বেকুব আমি ভাবসিলাম Colleen Hoover একজন লেখক। প্রথম কয়েকটা চ্যাপ্টার পড়ার পর উনার বায়ো খুজতে গিয়া বাইর হইসে উনি আসলে এক জন লেখিকা। এখন পর্যন্ত উনার চাইরটা বই নিউ ইয়র্ক টাইমস বেস্ট সেলার হইসে।

 

আলোচনার এই পর্যায়ে আমি গভীর শ্রদ্ধার সহিত আমার বন্ধু, বিশিষ্ট শিক্ষক, মহান রাশার কথা স্মরণ করছি। উনি বলেছেন, “হপ ব্যাডা, তুই এডি কি পড়স। আসল জিনিষ পড়, আসল জিনিস। নিউইয়র্ক টাইমস বেস্ট সেলার তো টিনেজার রা পড়ে।“

আমি কি করুম দোস্ত, টিন এজ বয়স তো হেলা ফেলায় নষ্ট করসি। তাই অখন কাভার দেওয়ার ট্রাই করতাসি। সুযুগ চাই, মানুষ হব।

 

Colleen Hoover এর সব বই যোগার কইরা ফেলসি ইনশাল্লাহ। একটা কি জানি বই এ একটা ছোট গল্প লিখসিল, ওইটাও। এইবার কোপায়া পইড়া লামু সব।

 

আর আমি আজকে একটা সিনেমা দেখসি। সিনেমার নাম, “ইফ আই স্টে”। ভাল্লাগসে সিনেমাটা। মেয়েটা চেলো বাজায় আর ছেলেটা একটা ব্যান্ড এর গিটারিস্ট। সহজ সরল কাহিনী তাই ভাল্লাগসে। বেশি পেস পুস থাকলে আবার এই ফাপা মাথায় সইজ্য হয় না। নেকস্ট দেখার লিস্ট এ আসে “বেয়ারফুট” সিনেমা টা। তারপর “বিগেন এগেইন” আর “ দি স্পেক্টাকুলার নাউ” ।

 

লেখার এই শেষ পর্যায়ে এবার পুরাই প্রসঙ্গ ছাড়া হুদাই একটা কবিতা লেখার পালা। এই কবিতা টা লেখসিলাম ২০১১ সালে। কোন এক হিংশুইট্টা মোমেন্ট এ।

 

যদি তুমি দুরেই থাকো,

আমি তবে থাকবো একাই,

থাকবো না আর ভদ্রলোক ।

মন খারাপ এর বাতাস পাঠাই,

আমার কষ্টে তোমার ভিতর,

কাছে আসার ইচ্ছে হোক।

১২/৩৬৫

লেখার তারিখঃ মার্চ ১১, ২০১৫

আমার মাঝে মাঝে ( এবং ইদানিং প্রায়  ই) মনে হয়, আমি এখন যে চাকরি টা করছি সেইটা যদি না করতাম, তাইলে কি হইত? তাইলে কি জীবন টা অন্যরকম হইত? আমি এখন যা, চাকরি না থাকলে কি সেরকম ই থাকতাম? নাকি টাকা পয়সার অভাবে আরো গ্রাম্পি ওল্ড ম্যান টাইপ সারাক্ষণ ই রাইগা থাকতাম?

 

আমি মোটামুটি শিওর যদি এই চাকরি টা না থাক্তো আর যদি বাপ মায়ের যথেষ্ট পরিমান টাকা পয়সা থাক্তো তাইলে গিয়া ফ্লাইং স্কুল এ ভর্তি হইতাম। এখনও যখন পাশে দিয়া এয়ারলাইন্স এর সাদা মাইক্রোবাস যায় আর ভিতরে একটা পাইলট বইসা থাকতে দেখি, একদম ভিতর থেইকা একটা গভীর বিষাদময় দীর্ঘশ্বাস উইঠা আসে।

 

কোন কোন দিন অফিসে ল্যাপ্টপ এর সাথে নাক লাগায় বইসা থাকতে থাকতে কল্পনা করি, সামনে ককপিট প্যানেল আর জানলার অইপাশে অনন্ত অসীম মেঘমালা। কোন কোন রাতের ফ্লাইটে জগত সংসার ভাসায় নিয়া যাওয়ার মত জোছনা দেখতে দেখতে উড়তে থাকি ।

 

পিছনে কয়েকশ যাত্রী হয়তো ঘুমাচ্ছে কারন আমি তো আছি ই । উড়ে উড়ে দেশ বিদেশ দেখা। ঘড়ির কাটার সাথে মিলানো জীবন আবার বোরিং ও না। ধবধবা সাদা সার্টের কাধের কাছে দাগ কাটা। এগুলা কে বলে এপিলেটস (epaulets)। চার দাগ মানে ক্যাপ্টেন, তিন দাগ মানে ফাস্ট অফিসার। আর দুই দাগ মানে ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার।

 

আমার কাছে পাইলট দের মানুষ মনে হয় না। যেভাবে টেক্টিন্যাল ব্যাপার গুলার সাথে নিজের ইন্দ্রিয় কে কাজে লাগায় কাজ করতে হয়,  পাইলট রা তো সিক্রেট সুপার হিরো। আর আই এনভি অল সিক্রেট সুপার হিরোজ ।

 

এই খানে অনেক বিতর্ক ও আছে। আমি ব্যাক্তিগত লাইফ এ একজন পাইলট কি, সেই হিসাবে এই গুলা বলি নাই। আই মেন্ট দা পাইলট প্রফেশন। এক জন পাইলট ব্যাক্তিগত জীবনে চোর, ডাকাত, লুইচ্চা, ফ্রিক ইত্যাদি হইতেই পারেন, আমি সেগুলারে এনভি করি মিন করিই নাই।

 

আর যদি বাসা থিকা টেকা টুকা না পাওয়া যাইত, যেইটা ইন রিয়ালিটতে আসলেই পাওয়া যাইত না, তাইলে নিশ্চই হার্ডকোর প্রোগামার হইতাম। গরীব ও মেধাবি প্রফেশনাল প্রোগ্রামার। রাতের পর ডিবাগ করা নিয়া পইড়া থাকতাম। মোবাইল এর জন্য এপ বানাইতাম। সারাদিন মাথায় অমুক তমুক ওয়েব সাইট এর আইডিয়া গিজ গিজিং করে।

 

এই চাকরি টা না করতে হইলে হয়ত একটা ছোট স্টারটাপ কোম্পানি দিয়া ওই স্বপ্নটা ধাওয়া করার চেষ্টা করতাম। পারতাম হয়তো। নিজেরে মনে করাই, আমরা কি ই-প্রথম-আলো বানাই নাই? এখন কত মানুষ দ্যাখে। তখন তো মাত্র ইউনিভারসিটি পাস দিসি। এত দিনে আরো কত স্কিল বাড়তো।

 

অফিসে বস এর সাথে রাগ কইরা থাইকা আসলে লাভ নাই। চাইরটা জিনিষ আল্লাহর হাতে। জন্ম, মৃত্যু, বিবাহ আর বস। আপ্নের বস কে হবে এইটা আপনি জীবনেও নির্ধারণ করতে পারবেন না, এক্সেপ্ট আপনি যখন নিজেই নিজের বস তখন।

 

জিকো ভাই এই ক্ষেত্রে একটা ভাল কথা বলসে। বলসে রাগ উঠলে, মন খারাপ লাগলে মনে মনে বস রে বলবেন,  “ আপনার যা শিক্ষা আর যোগ্যতা ,তাতে আপনি আপনার কেপাবিলিটির সবচেয়ে হাইয়েস্ট চাকরিটা করতাসেন। কংগ্রেটস। আর আমি করতেসি আমার যোগ্যতার সবচেয়ে লোয়েস্ট টা। দ্যাটস দা ডিফ্রেন্স। “

১১/৩৬৫

লেখার তারিখঃ মার্চ ১০, ২০১৫

আমাদের অনেক বিজয় বাকি ছিল। বিজয় এর প্রস্তুতি নেয়া ছিল। অনেক শব্দ, অনেক বাক্য, অনেক আলো তৈরি করা ছিল। কথা ছিল বিজয় আসলেই সব নিয়ে রাস্তায় নেমে যাওয়া হবে। তারপর সবাইকে দেখানো হবে জিতে গেলে আমরা কত খুশি হই।

 

আমরা হেরে গেছি বার বার। কিন্তু চোখ মুছে বলেছি, না। পরাজয় আমাদের হলেও, পরাজিত আমরা হইনি। শুধু বন্ধুকে “দোস্ত জিতে গেছি” বলে জড়িয়ে ধরাটা পিছিয়ে গেছে। ছোট মেয়েটার লাল সবুক ফ্রক টা ইস্ত্রি ভেঙ্গে আর বের করা হয় নি। অফিসের বস রা হাসি হাসি মুখে বলেনি, কি, বাংলাদেশ তো জিতে গেল, মিষ্টি গুলা কি দোকানেই থাকবে?

 

আমরা প্রতিনিয়তই ঘরে বাইরে হেরে যাই। কিন্তু আমাদের বিজয় মিছিলের রিহার্সাল থামে নি তাতে একবারো।

 

তাই সত্যি সত্যি যখন জেতা টা আসে, আমাদের সব জমানো আনন্দ কল কল করে বের হয়ে আসে। কারো মুখ দিয়ে, কারো উদ্দাম নৃত্য দিয়ে, কারো লেখা দিয়ে, কারো শুন্যে ছুড়ে দেয়া মুঠো করা হাত দিয়ে, আর কারো শুধুই চোখের নোনতা আনন্দাশ্রু দিয়ে। বিদেশিরা ভুরু কুচকে তাকিয়ে ভাবে, এরা এমন করছে কেন? হাউ খ্যাত।  “ক্লাস গেলো, ক্লাস গেলো, বলে, একি আজিব কারখানা” শুরু হয়। রমিজ রাজা রা তাদের চড় খাওয়া মুখ নিয়ে মিনমিন করে বলার চেষ্টা করে, “লাইক পাকি”স্তনি” পিপল, বাংলাদেশি পিপল লাভস টু সেলিব্রেট দেয়ার ক্রিকেট”। আর আমরা “পাকিভাড় এর মুখে গুপ্তকেশ এর অভাব” দেখে হেসে রুম ফাটাই।

 

আমাদের এসব দেখার টাইম আছে তখন? আমাদের তখন পায়ের নিচে মাটি আর বুকের ভেতর মাটি মাটি গন্ধ। বিদেশের মাঠকে আমরা বর্ষাকাল এর উঠোন বানিয়ে কাঁদা জলে গড়াগড়ি খাই। চেনে না জানে না, নামাজ পড়তে গেলে অপমান করে, তবু জাতীয় দল এর একজন প্লেয়ার গ্যালারি তে দৌড়ে গিয়ে শুধু আমার দেশ এর ভাই বলে আরেক বাংলাদেশি দর্শক কে জড়িয়ে ধরে। হয়তো কানে কানে বলে দেয়, জিতে গেছি ভাই, মাকে বলিস, জিতে গেছি।

 

বাংলাদেশ ক্রিকেট দল কে আমাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য অভিনন্দন, আমাদের বিজয়ী বানানোর জন্য অভিনন্দন।

 

এই ১১ নম্বর নোট এ সেই ১১ জন এর জন্য লিখতে পেরে গর্বিত বোধ করছি।